চট্টগ্রাম ব্যুরো :
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, কক্সবাজার জেলার সদর থানাধীন গোমাতলী লবনের ঘের এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদল লবন চাষীদর এবং ব্যবসায়ীদেরকে অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জোর পূর্বক জমি দখল, চাঁদা আদায়, লবন ডাকাতিসহ দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে আসছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ১০ এপ্রিল ২০১৮ ইং তারিখ ১১৩০ ঘটিকার সময় মেজর মোঃ রুহুল আমিন এর নেতৃত্বে র্যাবের একটি আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করলে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টকালে র্যাব সদস্যরা আসামী ১। হেলাল উদ্দিন (৪০), পিতা মোজাহের আহমেদ, গ্রাম-জালালাবাদ, ২। মোঃ আঃ শুক্কুর (৬৭), পিতা-মৃত সৈয়দ আহমদ, গ্রাম-জালালাবাদ, ৩। নুরুল হাকিম (৩২), পিতা-মোন্তাজ মাহমুদ, গ্রাম-পশ্চিম আছাখালী নতুন বাজার, ৪। আঃ রাজ্জাক (১৮), পিতা-মৃত রশিদ আহমেদ, গ্রাম-ফসিয়াখালী, ৫। মোঃ জসিম উদ্দিন (৫০), পিতা-মৃত বদিউজ্জামান, গ্রাম-পূর্বপোকখালী, ৬। মোঃ মবিন (৪০), পিতা-সৈয়দ নুর, গ্রাম-গোমাতলী এবং ৭। আঃ রহমান (৪০), পিতা-আমির মোহাম্মদ, গ্রাম-পূর্বপোকখালী, সর্ব থানা-কক্সবাজার সদর, জেলা-কক্সবাজার’দেরকে আটক করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামীদের দেহ এবং বর্ণিত স্থান তল্লাশী করে ০৬ টি ওয়ান শুটারগান, ০৫ টি এসবিবিএল, ১৮ রাউন্ড গুলি, ০১ রাউন্ড খালী খোসা উদ্ধারসহ আসামীদেরকে গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য যে, গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত উক্ত অবৈধ অস্ত্র দিয়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে থাকে এবং এলাকায় প্রভাব বিস্তারের জন্য সর্বদা এসব অস্ত্র মজুদ রাখে।
গ্রেফতারকৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত মালামাল পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে দন্ডবিধি ৩৯৯/৪০২ এবং ১৮৭৮ সনের আর্মস এ্যাক্টের ১৯-অ ১৯-ঋ ধারা মোতাবেক কক্সবাজার জেলার সদর থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।