Main Menu

রাণীনগরে স্কুল ছাত্রী অপহরণের ১২ দিন পর আত্রাই থেকে উদ্ধার

এ বাশার চঞ্চল, নওগাঁ প্রতিনিধি:-নওগাঁর রাণীনগরে ঘোষগ্রাম কফিলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী সাফিনা শান্ত মুনমুন (১৫) কে অপহরণের ১২ দিন পর নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার গুলিয়া গ্রাম থেকে উদ্ধার করেছে রাণীনগর থানাপুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারির মূলহোতা এজাহারভূক্ত আসামী মশিউর সহ অন্যরা পালিয়ে গেলে অপহিৃতা মুনমুনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই মামুনুর রশিদ প্রয়োজনীয় ফোর্স নিয়ে রবিবার রাতে অভিযান চালিয়ে আত্রাই থানার গুলিয়া গ্রাম থেকে অপহিৃতাকে উদ্ধার করে সোমবার সকালে ডাক্তরী পরীক্ষা ও বয়স নির্ধারনের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে।
জানা গেছে, উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্কুল পড়–য়া মেয়ে সাফিনা শান্ত মুনমুন ঘোষগ্রাম কফিলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশুনা চলাকালিন সময়ে ভবানীপুর-বেতগাড়ী গ্রামের মাসুদুর রহমান তুফানের ছেলে মশিউর রহমান (২৩) বেশকিছু দিন ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার সময় প্রায়ই নানান ভুঙ্গিমায় এমনকি পথরোধ করে উত্ত্যক্ত করতো। পারিবারিক ভাবে কয়েকবার তাকে নিষেধ করলে সে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে অপহরণের হুমকি দিতে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় ২৩ নভেম্বর সকালে বেতগাড়ী বাজারে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় মুনমুনকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে মুনমুনের মা রিতা বেগম জানান। ঘটনার পর থেকে পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য সকল জায়গায় অনেক খোজাখুজি করে তার কোন সন্ধান না পাওয়ায় ঘটনার দুই দিন পর মুনমুনের মা রিতা বেগম বাদি হয়ে রাণীনগর থানায় অপহরণের মূলহোতা মশিউর সহ চার জনকে আসামী করে গত ২৫ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে পুলিশ ১২ দিন পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আত্রাই উপজেলার গুলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে অপহিৃতা মুনমুনকে উদ্ধার করে সোমবার সকালে ডাক্তরী পরীক্ষা ও বয়স নির্ধারনের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা রাণীনগর থানার এসআই মামুনুর রশিদ জানান, মেয়েটিকে অপহরণ করার পর থেকেই আসামীরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় আটক করে রাখে। বারবার স্থান পরিবর্তন করার কারণে আমাদের কয়েকটি অভিযানও ব্যর্থ হয়। অপহরণকারির মূলহোতা মশিউর রহমানকে গ্রেপ্তার সহ অপহিৃতাকে উদ্ধারের অব্যহত চেষ্টার এক পর্যায়ে রবিবার রাতে আত্রাইয়ের গুলিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে সাফিনা শান্ত মুনমুনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *