সন্দ্বীপে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা পূর্ব-পরিকল্পিত নিশানা বাস্তবায়ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে

সন্দ্বীপ থেকে সাব্বির রহমান :
চট্রগ্রাম জেলার সদ্বীপ উপজেলায় সন্ত্রাস,নৈরাজ্য আর অরাজকতার পরিবেশ সৃষ্টিতে রীতিমত গডফাদার বনে গেছে, শীর্ষ অস্ত্র ব্যাবসায়ী সাহেদ, আকরাম ও ইয়াবা ব্যাবসায়ী রাশেদ । সন্ত্রাসের লীলাভুমিতে পরিনত করে চলছেন ক্ষমতাধর এই জনপ্রতিনিধি আকরাম ।

আধিপত্য বিস্তারে মরিয়া হয়ে শান্ত দ্বীপ এখন অশান্ত। বেশামাল! বেপরোয়া ! একে অসভ্যতা বলা যেতে পারে ? শাসক দলের ব্যানার সেটে নানাবিধ অন্যায় অপকর্মের ফিরিস্তি রচনা করে অগাধ সম্পদ এর মালিক হয়েছেন তাঁরা। যেন সম্পদের পাহার গড়েছেন। রামরাজত্ব কায়েমে সেখানকার জনমনে ইতোমধ্যে রূপ নিয়েছে গডফাদার ও সন্ত্রাসীদের।

বর্বরোচিত কর্মকান্ডে নিজেকেও পরোক্ষভাবে জানান দিচ্ছে এই তিন আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ত্রক। পূর্বে ও পুরো জিম্মিদশায় রেখেছেন সন্দ্বীপবাসী কে । যার জলন্ত দৃষ্টান্তও রয়েছে। আবারো নতুন করে প্রশাসনকে ব্যবহার করেই হয়রানী করা হচ্ছে নীরিহ মানুষদের। করা হচ্ছে আটক, নেওয়া হচ্ছে চাঁদা, চালিয়ে যাচ্ছে অস্ত্র, ইয়াবা ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ। এদের কে পূর্বে সাময়িকভাবে প্রতিহত করতে পারলেও বর্তমানে তাঁরা পূর্ব-পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে নতুন করে সংঘঠিত হতে শুরু করেছে ।

যে কারনে উপজেলা সন্দ্বীপ সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে সাধারন মানুষের মাঝে নতুন করে সন্ত্রাস ও দস্যু আতঙ্ক বিরাজ করছে। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঐ সকল চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দস্যুদের তৎপরতা প্রতিহত করতে তালিকা প্রস্তুত করেছে বলে একটি সুত্র জানায়।

এই সন্ত্রাসীদের হাতে হামলার সিকার হওয়া নাম প্রকাশে অনিশ্চুক এক সাবেক পৌরসভা যুবলীগ নেতা – বলেন, চিহ্নিত এ সকল ভূমিদস্যুদের পুনারায় সংঘবদ্ধ করার নেপথ্যে রয়েছে জনৈক উপজেলা সদরে বসবাসকারী অস্ত্রধারী, চাঁদাবাজ ও হত্যা মামলার একাধিক আসামী পৌরসভার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম এর ছেলে সাহেদ, মুছাপুর ইউনিয়ন ১নং এর (বর্তমান) মেম্বার আকরাম হোসেন, একই ইউনিয়ন এর আরেক ইয়াবা ব্যাবসায়ী – রাশেদ। পূর্বে ও এদের সন্ত্রাসী কর্ম-কান্ডের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিল সন্দ্বীপের সাধারণ জনগণ। এই রফিক এর ছেলে সাহেদ কে ২০১৬ সালে র‌্যাব ও কোস্ট গার্ড এর যৌথ অভিযানে একে-২২” সহ দেশি-বিদেশি ২৩ অস্ত্র সহ তাঁর দুই সহযোগী কে আটক করে ৩ বছর জেল খেঁটে এসে আবার পূর্বের সন্ত্রাসী কার্যকালাপে লিপ্ত হয়ে সন্দ্বীপ উপজেলা টাউন কেন্দ্রে এলাকায় অর্তংক ছড়িয়ে দিচ্ছে। সন্দ্বীপের জন-প্রতিনিধি ও প্রসাশন এর দৃষ্টি আর্কষণ করছি এদের শক্ত হাতে দমন না করলে পূর্বে মতো আবার ওদের অত্যাচার ও নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠবে সন্দ্বীপ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *