এক সাথে কাজ করার প্রত্যয় জয় মোদের হবে নিশ্চয় -ইমাম হোসেন

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম ।
বিবেকের কারণে প্রবাসে থেকে দেশের কথা ভেবে করোনাভাইরাস প্রসঙ্গে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে কিছু কথা বলার চেষ্টা করছি |আমরা সবাই জানি, করোনাভাইরাস মানে এককথায় দূরে থাকা ,সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা -করোনাভাইরাস মানেই আপনজনের লাশকে দেখতে না পারার যন্ত্রণা -করোনাভাইরাস মানেই নিজের মাকে দাফন দিতে না পারা- কিংবা এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত নিজের ছোট্ট শিশুকে অন্যের মাধ্যমে কবরে রেখে আসা- এটিই বাস্তব আর বাস্তবই সত্য |সবাইকে অনুরোধ করবো দয়া করে লেখাটি শেষ পর্যন্ত না পড়ে কেউ মন্তব্য করবেন না ।

শুরুতেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে, তাঁর দক্ষ রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি যেভাবে সকল জেলার প্রশাসনিক ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠন করে ডিজিটাল কনফারেন্সের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস নামক মহামারী মোকাবেলা করছেন এবং দল মত নির্বিশেষে সকল ত্রাণ লুটকারীর বিরুদ্ধে যে ভূমিকা নিচ্ছেন তার জন্য প্রবাসীবাংলাদেশী এবং অল ইউরোপীয়ান আওয়ামী সোসাইটি ,ইউকের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জানাচ্ছি |কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সকল আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষ করে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীকে |এ মহামারীতে আজ রাস্তায় নেমে লকডাউন কার্যক্রম করছে পুলিশ, মধ্যবিত্তের মাঝে গোপনে খাবার দিচ্ছে পুলিশ,খবর পেয়ে লাশ দাফন দিচ্ছে পুলিশ |রোগে আক্রান্তদের হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ এসব শুনলে এবং মিডিয়াতে দেখলে -প্রবাসে থেকেও হৃদয়টা গর্বে ভরে ওঠে |স্যালুট জানাতে চাই পুলিশ বাহিনীকে |কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জানাচ্ছি বাংলাদেশের ডাক্তার ,নার্স সহ সকল স্বাস্থ্যকর্মী ভাই এবং বোনদের যারা জীবনকে বাজি রেখে এখন পর্যন্ত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন |কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি বাংলাদেশের সকল সাংবাদিক ভাইদের, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে আজ আমরা প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সর্ব শেষ পরিস্থিতি আপডেট জানতে পারছি | কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি বাংলাদেশের যে সকল নাগরিক লকডাউনে সরকারের সকল নিয়ম কানুন মেনে চলছেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখছেন এবং অপ্রয়োজনে যারা ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না |ভাই হিসাবে অনুরোধ করছি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিবেন না এবং দয়া করে আপনার পরিবারের সদস্যকে জীবনের ঝুঁকির মুখে ফেলবেন না |

প্রচন্ড ঘৃণার সাথে ধিক্কার জানাচ্ছি তাদেরকে যারা জনগণের সেবক হয়ে গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য সরকারি সাহায্য চাল ও তেল চুরি করছেন |একশ্রেণীর জনপ্রতিনিধি সাহায্যের নামে গরীব অসহায় মানুষকে তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রচারণার কাজে ব্যবহার করছেন | এখানেই ক্ষান্ত নয় ,কোনো কোনো জনপ্রতিনিধি অসহায় দরিদ্র মানুষের গায়ে হাত তুলতেও দ্বিধা বোধ করছেন না | একই সাথে আমি আহ্বান জানাচ্ছি কিছু কিছু সাংবাদিক ভাইয়েরা যারা কোন দুর্নীতিবাজ মেম্বার অথবা চেয়ারম্যান ধরা পড়লে বলছেন আওয়ামী চেয়ারম্যান/মেম্বার | সত্য বলতে কি ,চেয়ারম্যান-মেম্বার – কাউন্সিলরকে কখনো আওয়ামী চেয়ারম্যান-মেম্বার – কাউন্সিলর বলে পরিচিত না করিয়ে বরং অমুক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান/মেম্বার এটাই তাদের আসল পরিচয় বলা উচিত | যেমন ধরুন যখন প্রধানমন্ত্রী কোন ভাল কাজ করেন তখন কিন্তু বলা হয় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তখন কেউ আপনারা বলেন না আওয়ামী লীগের প্রধানমন্ত্রী | সঙ্গত কারণেই চোরের কোন দল থাকে না তারা বিভিন্ন দলে আশ্রয় নেয় সুবিধা নেওয়ার জন্য ভিড় জমায় |

দুঃখ প্রকাশ এবং সমবেদনা জানাচ্ছি সম্প্রতি আমাদের এক ডাক্তার ভাই সিলেট থেকে যিনি মৃত্যুবরণ করেছেন এই করোনাভাইরাসের কারণে | আমি বা আমরা প্রবাসী বাংলাদেশী গভীরভাবে শোকাহত এবং তার শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি | একই সাথে আহবান করছি বাংলাদেশের সমস্ত চিকিৎসক ডাক্তার ,নার্স সহ স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদেরকে যারা আজও প্রধানমন্ত্রীর আহবানে সাড়া না দিয়ে পলাতক আসামীর মতো শুধুই নিজের জীবনের কথা ভেবে এই মহামারীর দুঃসময়ে সেবা দান থেকে নিজেকে বিরত রেখে স্বার্থপরের মত পালিয়ে বেড়াচ্ছেন |অনেকে হয়তো পিপিই -র সমস্যার কথা বলবেন কিন্তু পিপিই যেভাবে পাওয়া যায় আপনি কি সেভাবে খোঁজার চেষ্টা করেছেন ? আপনি কি আপনার কতৃপক্ষকে কঠিনভাবে জানিয়েছেন? বিবেকের কাছে একটু প্রশ্ন করে দেখুন আসলে কি পিপিই একমাত্র সমস্যা ? নাকি নিজের জীবনকে স্বার্থপরের মত ভালবেসে ডাক্তারি সেবা থেকে নিজেকে দূরে রাখছেন কোরোনাভাইরাসের ভয়ে | কিছু দিন আগে এক সংবাদে দেখলাম নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত এক রুগীকে এক হাসপাতালে নেয়ার পরে পিপিই পরিধানরত এক ডাক্তারই তাকে চিকিৎসা না দিয়ে ফিরিয়ে দিলেন । যদি তাই হয় তাহলে আমি সত্যি বলব আপনি তা করতে পারেন না, বিল্ডিং ধসে পড়লে ফায়ার সার্ভিস কাজ করবে,ডুবন্ত জাহাজকে নৌবাহিনী উদ্ধার করবে,দেশের সীমান্তকে ও সার্বভৌমত্বকে সেনা বাহিনী জীবনের বিনিময়ে রক্ষা করে -এটি তখন বিষয় নয় প্রতিপক্ষ দেশ কত খানি বেশি শক্তিশালী -এটি যেমন সত্য ,তেমনি এটিও সত্য মহামারীতে ডাক্তার রুগীদের সেবা দিবেন ।আর একজন ডাক্তার যদি নিজের জীবনের ঝুঁকি না নিতে চান এই মহামারীতে তাহলে আমি বলব আপনাদের এই পেশা বেছে নেওয়া একদম ঠিক হয় নাই | জরিপে দেখা গেছে সারা বিশ্বে বিভিন্ন দেশে এই কোরোনাভাইরাসে ডাক্তার নার্স সহ যারা স্বাস্থ্য সেবক তারা অনেকে মারা গেছেন যেমন: ইতালিতে কমপক্ষে ৬৬ জন ডাক্তার মারা গেছেন, চায়নাতে কমপক্ষে ১৩ জন মারা গেছেন, ইউকেতে কমপক্ষে ২৭ জন মারা গেছেন, ফ্রান্সে কমপক্ষে পাঁচজন মারা গেছেন ,স্পেনে কমপক্ষে পাঁচজন মারা গেছেন, ইরানে কমপক্ষে তিনজন মারা গেছে | তারপরেও কোন ডাক্তার/ নার্স জীবনের ভয়ে তারা সেবা দান থেকে বিরত থাকেন নাই |আমার জানামতে বাংলাদেশের অসংখ নামিদামি ঔষধ কোম্পানি আমাদের ডাক্তার সাহেবদের চেম্বারে সিরিয়াল দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন তাদেরকে উপঢৌকন দিবার জন্য | কখনো তারা ফ্রিজ দেন ,কখনো টেলিভিশন দেন ,কখনো দামি মোবাইল দেন ,কখনো কখনো ফ্লাটও দেন | আমার প্রশ্ন আপনারা যারা এই উপঢৌকন নিতে অভ্যস্ত তারা কি কখনো এই সমস্ত ঔষধ কোম্পানিকে অনুরোধ করেছেন কিছু পিপিই দেবার জন্য ? বিবেকের কাছে প্রশ্ন করে দেখুন আমার মনে হয় কিছু পিপিইর দাম একটি ফ্ল্যাট টেলিভিশন অথবা দামি মোবাইল থেকে অনেক কম ,যে কোন ঔষধ কোম্পানি তারা অনায়াসে আপনাদেরকে উপহার দিতে পারে শুধু সদিচ্ছা থাকলে |

প্রবাসে থেকে হৃদয়টা গর্বে ভরে ওঠে যখন দেখি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই করোনাভাইরাসের মোকাবেলায় দিন-রাত পরিশ্রম করছেন | কখনো তিনি ডিজিটাল কনফারেন্স করছেন ,কখনো তিনি হাসপাতালে খোঁজ নিচ্ছেন, কখনো তিনি ইউনিভার্সিটি তে কেন ছাত্র মারা গেল জানতে চাচ্ছেন, কখনো কোনো গরিব কেন খাবার পাচ্ছে না -তা জানতে চাচ্ছেন , যখন তিনি তৃণমূলের খোঁজ নিচ্ছেন তখন আমার ভিতর একটু দুঃখ বোধ হয় এই ভেবে যে, এ সকল পার্টিকুলার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মহোদয় আপনারা আরো কেন প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতা করছেন না নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করার মাধ্যমে? আমি কিছু উদাহরণ দিতে চাই ,আমি কাউকে সম্মানহানি করতে চাইনা কিছু উদাহরণ দিয়ে আমি বোঝানোর চেষ্টা করছি | আমার ভিতর জমে থাকা কিছু কষ্টের কথা ব্যক্ত করছি – প্রবাসে আমরা যারা থাকি তাদের হৃদয় সবসময় বাংলাদেশের মাটির জন্য কাঁদে, বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাঁদে, সে পরিবারের সদস্য হোক কিংবা বাংলাদেশের যে কোন অঞ্চলের ব্যক্তি হোক ,যখন আমরা প্রবাসী কাউকে পাই তখন আমরা বুকে জড়িয়ে ধরি বলে আমার ভাই এসেছে বাংলাদেশ থেকে ,এবং তাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করি ।

একজন কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবে বাংলাদেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ,আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ এবং পালন করি বলে -বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রী মহোদয়কে আরেকটু তৎপর হওয়ার জন্য আহ্বান এবং বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি | আপনি যদি মনে করেন বাংলাদেশের প্রত্যেক ডাক্তার, নার্স অথবা স্বাস্থ সেবকগনেরা পিপিই পেয়েছেন এবং তারা সুরক্ষিত ,তাহলে আপনি কি পারেন না শুধুই নিজেকে বিবৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ,নিজে পিপিই পরে সুরক্ষিতভাবে হাসপাতালগুলোতে গিয়ে দেখতে ডাক্তার /নার্সদেরকে অনুপ্রেরণা দিতে ? যাতে করে সমস্ত ডাক্তার এবং নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মী ভাই এবং বোনেরা আপনাকে দেখে উদ্বুদ্ধ হয় এবং তারা জীবনকে বাজি রেখে আমার আপনার ভাই-বোনকে আরো সেবা দিতে পারে বলে কি আপনি মনে করেন না ?উদাহরণস্বরূপ আমি বলব ইউকে তে অনেক ডাক্তার মহোদয় আছেন যারা মেম্বার অফ পার্লামেন্ট | তারা আজকে বিভিন্ন হসপিটালে করোনাভাইরাস এর রোগীদের সেবা দিতে নেমে গেছেন | |আপনি কি পারেন না হসপিটালে গিয়ে ডাক্তার /নার্সদেরকে একটু উৎসাহ দিতে?

মনটা খারাপ হয়ে যায় যখন দেখি গার্মেন্টসের শ্রমিকরা বেতন নিতে এসে বেতন না পেয়ে অসহায় মানুষের মত চোখে অশ্রু জল নিয়ে তারা বাড়ি ফিরে যাচ্ছে | আমরা প্রবাসী বাঙালিরা আমরা কি একইভাবে খাদ্য মন্ত্রী মহোদয় সহ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মহোদয় সকলকে আরেকটু দায়িত্বশীল এবং তৎপর হওয়ার আহবান করতে পারি না ?তাতে কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাজটি আরও সহজ হয় না,? এসব দেখে আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কিছু কথা মনে পড়ে যায় -তিনি বলেছেন আপনি কার টাকায় ডাক্তার সাব ,মন্ত্রী সাব ,ইঞ্জিনিয়ার সাব, অফিসার সাব, মেম্বার সাব ? আপনি ভুলে যাবেন না জনগণের টাকায় আপনারা আজ ডাক্তার সাব মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার অফিসার সাব |তাই শ্রমিকদেরকে সম্মান দিবেন |এভাবে প্রত্যেক মন্ত্রীমহোদয় তাদের নিজস্ব দায়িত্ব যদি আরো কঠোরভাবে এবং দক্ষতার সাথে পালন করেন, তাহলেই আজ প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করা হবে |তাহলেই আজকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া সহজ হবে |

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , আপনার কাছে বিনীত অনুরোধমূলোক কিছু সুপারিশ পেশ করছি::

-অতি দ্রুতসময়ের মধ্যে সরকারি নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পিপিই প্রস্তুত করে সকল থানা এবং জেলায় সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে পৌঁছানো নিশ্চিত করা |

-ডাক্তার নার্স সহ পুরো স্বাস্থ্যকর্মীদের যারা এই কোরোনাভাইরাস রুগীদের সেবা করছেন এবং তাদের প্রত্যেককে এবং বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী যে সকল ভাই এবং বোনেরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন লাশ দাফোন করছেন, লাশ কাঁধে নিয়ে কবর দিচ্ছেন ,যারা ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করছেন, যারা রোগীদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছেন ,যারা লকডাউন এর নিয়ম মেনে চলার জন্য জনগণকে সাহায্য করছেন তাদেরকে কোরোনাভাইরাস টেস্ট করানোর জন্য বিনীতভাবে আহবান জানাচ্ছি | যাতে তারা নিশ্চিত হতে পারেন যে তারা ভালো আছেন | স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার জন্য তাদের কোনো ঝুঁকি নেই |

-বাংলাদেশে যদি ডাক্তার সংকট দেখা দেয় তাহলে যারা ইন্টার্নি শেষ করেছেন, যারা এখনো ডাক্তার সেবায় নিজেদেরকে নিয়োজিত করার জন্য কোন সুযোগ পাচ্ছেন না তাদেরকে সুযোগ দিয়ে এই মহান কাজের জন্য ইনসেনটিভ সহ একটি বিশেষ সার্ভিস কার্ড প্রদান করবেন যে কার্ডে কোন ডাক্তার ভাইয়েরা যদি বিসিএস পরীক্ষা দেন এবং লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর তারা যেন এই কার্ডের সুবিধা নিতে পারে |তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেখবেন বাংলাদেশে কোন ডাক্তারের অভাব হবে না |

– যারা জনপ্রতিনিধির নামে ত্রাণের চাল ও তেল চুরি করছে তাদেরকে প্রচলিত নিয়মে সাজা সহ কমপক্ষে ৩ মাস কোরোনাভাইরাস চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার কাজে নিয়োজিত করা ।

-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি যদি মনে করেন যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পুলিশ বাহিনী অথবা বিডিআর সদস্যদের মাধ্যমে আজকে এই ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করলে শতভাগ বিতরণ সুষ্ঠু হবে এবং তাহলেই বাঙালি জাতি উপকৃত হবে এবং কম্বল চোরের বংশধর চাল চোর এবং তেল চোর এর হাত থেকে জাতি মুক্তি পাবে |আপনারা সবাই ভালো থাকবেন,নিরাপদ থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন এই প্রার্থনা করছি ।ধন্যবাদ সবাইকে |
ইমাম হোসেন ,
যুগ্ন সাধারন সম্পাদক
সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী সোসাইটি , যুক্তরাজ্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *