নিজেস্ব প্রতিবেদক :
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় অকাল বণ্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তার টাকার ভাগ বসানো এনজিও সংস্থা সিএনআরএসের প্রতিনিধি ও উপজেলার ৪নং চরন্নারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যার অনিয়ম শিরোনামে মিথ্যা বলে জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগটি প্রত্যাহারের জন্য পূনরায় আবেদন জানিয়েছেন অভিযোগকারী তরুণ কান্তি তালুকদার (বকুল)।
তিনি বৃহস্পতিবার স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে গত ০১.০১.১৮ তারিখে তার দায়েরকৃত অভিযোগটি মিথ্যা আখ্যা দিয়ে প্রত্যাহারের জন্য আবেদন জানান।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তার পূর্বেকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ২ জানুয়ারী দৈনিক পত্রিকায় সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ায় (অভিযোগকারী) তিনি মর্মাহত হন।
অভিযোগকারী চরন্নারচর ইউনিয়নের অর্ন্তগত এলংজুরী তার গ্রামের বাড়িতে না থাকায়, এলাকার কিছু দুষ্টু লোকের প্ররোচনায় তাকে মিথ্যা বুঝিয়ে,তার মাধ্যমে চরন্নরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রতন কুমার দাস তালুকদার, পরিষদের ৭-৮ ও ৯ ওয়ার্ডের সংরক্ষিত ইউপি সদস্যা মমতাজ বেগম ভিজিএফ এর একাধিক কার্ড দিয়ে চাল উত্তোলন করেন এবং সিএনআরএসর ফিল্ড অফিসার সুশান্ত দাস,শাহীন মিয়া, পিও ওশিউর রহমান এবং মুক্তার হোসেন প্রতি কার্ডে প্রত্যেক উপকারভোগীকে ৫ হাজার টাকা প্রদান করার কথা থাকলেও তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ২৫০০ থেকে ৩০০০ হাজার টাকা আদায় করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি প্ররোচনার ঘটনাটি বুজতে পেরে স্বশরীরে এলাকায় গিয়ে জানতে পারেন এই অভিযোগের ঘটনাটি সাজাঁনো একটি বিষয়। এই ইউনিয়নে এ ধরনের কোন অনিয়মের ঘটনা ঘটেনি। পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যা ও এনজিও সংস্থার লোকজন জড়িত নয় মর্মে অভিযোগকারী আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে তিনি জেলা প্রশাসকের নিকট ক্ষমাপ্রার্থী হন এবং বিনাবিচারে অভিযোগটি প্রত্যাহারের জন্য পূণরায় আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন।