৯ মাসের শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেননি যুবনেত্রী তুহিন এমপি -বাংলারদর্পন

বাংলারদর্পন :

রাজনীতি করে নেতা বা নেত্রী হওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার! মহান সৃষ্টিকর্তা চাইলেই শুধু সম্ভব। যাকে আমরা বলি, কপাল লাগে !

আবার কপাল তখনই ফেভার করবে যখন আপনি যোগ্যতাসম্পন্ন হবেন।অর্থ্যাৎ রাজনীতিতে এখন যোগ্যতা অত্যাবশ্যকীয়।

 

সাবিনা আক্তার তুহিন এমপি বর্তমানে বাংলাদেশে সর্বজন সমাদৃত একটি নাম।তার দলের প্রতি অানুগত্যতা,দলীয় কর্মকান্ডের প্রতি নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতা আস্তে আস্তে তিনি প্রতিনিয়ত ধাবিত হচ্ছেন উচ্চ আসরে।

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দূর্দিনে তো বলিষ্ঠ ভূমিকায় ছিলেনই,বাংলাদেশের রাজনীতির ক্রান্তিকালে তিনি যে অবদান রেখেছিলেন,তারই ফলশ্রুতিতে আজ সবার মাঝে স্বস্তির রাজনীতি।

 

কৈশর থেকেই তিনি রাজপথে তার জায়গা করে নিয়েছেন।প্রমান রেখেছিলেন নিজের যোগ্যতা আর সামর্থের।এভাবেই রাজনীতির বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্নে তিনি আবির্ভূত হয়েছেন জলন্ত আগ্নেয়গিরির মতো,ছিনিয়ে এনেছেন কাংখিত বিজয়।

তুহিন এমপির আন্দোলন বাংলাদেশের সবার কাছে সমাদৃত ও সন্মানিত।

 

২০০১ — ২০০৬ বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়।

তৎকালীন জামায়াত বিএনপি’র কালো হাতছানিতে সারা বাংলা যখন বিষবাস্পে ছেয়ে গিয়েছিল ঠিক তখনই তুহিন এমপি সেই অশুভ চক্রের সামনে প্রতিয়মান হয়েছিলেন আতংকের মৃয়মান মূর্তিরুপে।

রাজপথকে প্রকম্পিত করে সেদিন দুষ্ট চক্রের দেশবিরোধী অবৈধ উদ্দেশ্যকে নস্যাৎ করে দিয়েছিলেন।

 

আর তখনই অশুভ চক্রের নতুন ছকের শিকার হন সাবিনা আক্তার তুহিন।এভাবেই তিনি শিকার হয়েছিলেন হামলা,মামলা আর অবর্ণনীয় নির্যাতনের।তারই ধারাবাহিকতায় মিথ্যা মামলা দিয়ে তৎকালীন পুলিশ নামের খালেদা জিয়ার পেটুয়া বাহিনী তুহিন এমপিকে এরেষ্ট করে নিয়ে যায়,তখন তুহিন এমপি’র ছেলের বয়স মাত্র ৯ (নয়) মাস।সেদিন সেই শিশুটির দুগ্ধপিপাসার আর্তচিৎকারে সবকিছু স্তব্দ হয়ে গিয়েছিলো,বুকের মাঝে বেদানার রক্তক্ষরণ হয়েছিলো তুহিন এমপি’র মাতৃহৃদয়ে ,কিন্তু একটুও মন গলেনি সেই বিএনপি’র হায়নাদের!

সেকারনেই তুহিন এমপি’র সেই শিশুটির আর মায়ের বুকের দুধ পান করে বড় হয়ে ওঠা হয়নি!

 

কিন্তু হার না মানা সেই তুহিন এমপি সেদিন সেই আন্দোলন আর সংগ্রামের মাধ্যমে লেজ ঘুটাতে বাধ্য করেছিল সেই বিএনপি’র হায়নাদের।তাইতো তুহিন এমপি রাজপথের অগ্নিকন্যার খেতাবে হয়েছেন সমাদৃত।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *