শহিদুল আলমের সাথে রেহনুমা আহমেদও ষড়যন্ত্রে পরোক্ষভাবে জড়িত

নিউজ ডেস্ক: নিরাপদ সড়ক দাবির আন্দোলনের অন্তরালে বিতর্কিত চিত্রশিল্পী শহিদুল আলম একা জড়িত ছিলেন না। তার স্ত্রী রেহনুমা আহমেদও ষড়যন্ত্রের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। স্বামী শহিদুল আলমের মত রেহনুমাও বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করা, বাংলাদেশকে বিভক্ত করা এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার মত কাজে পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। বিভিন্ন সূত্র ও তথ্য যাচাই করে রেহনুমা আহমেদের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সূত্র ও তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই সতর্ক অবস্থানে ছিলেন শহিদুল আলম ও রেহনুমা আহমেদ। একটি সংঘবদ্ধ দেশি ও আন্তর্জাতিক চক্রের এজেন্ডা বাস্তবায়নে হাত ধুয়ে নেমে পড়েছিলেন স্বামী-স্ত্রী দুজনে একত্রে।

আন্দোলনের জন্য নেওয়া পয়সা হালাল করতে দেশ ও দেশের মানুষের কথা চিন্তা না করেই ঘৃণ্য কুপরিকল্পনা বাস্তবায়নে অন্ধ হয়ে যান তারা। ৫ আগস্ট বিভিন্ন সময়ে রেহনুমা আহমেদ শহিদুল আলমসহ একাধিক ব্যক্তিদের আন্দোলন, নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত করে মোবাইলে বার্তা আদান-প্রদান করতে থাকেন। রেহনুমা আহমেদ কখনো আন্দোলনের চিত্র ধারণ, ছাত্রদের ভিড়ে নিজেদের কর্মী বাহিনীর অবস্থান নিশ্চিত করে শহিদুল আলমকে অবগত করতে থাকেন। আবার কখনো পুলিশের অবস্থান, সরকার দলীয় কর্মীদের নামে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের অ্যাকশনের আপডেট, ভাংচুর, সহিংসতার খবর পাঠাতে থাকেন।

এছাড়া একটি বার্তায় রেহনুমা আন্দোলনের স্লোগান নির্ধারিত করে সেটি প্রচার করতে বলেন। অন্য আরেকটি বার্তায় রেহনুমা শিক্ষার্থীদের ব্যানারে জামায়াত-শিবিরের সহিংসতার ভিডিও ছাত্রলীগের নাম দিয়ে আপলোড করার জন্য একজন আদেশ দেন। এছাড়া শাহবাগ থেকে সাইন্সল্যাবে ছাত্রদের নিয়ে এসে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ারও নির্দেশনা দিয়ে রেহনুমা একটি বার্তা পাঠিয়েছেন ৫ আগস্ট।

রেহনুমা আহমেদের মত একজন স্বঘোষিত সংস্কৃতি এবং সমাজকর্মীর এমন দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার বিষয়টি জানতে পেরে হতবাক হয়েছেন সাধারণ মানুষ। রেহনুমা আহমেদের শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা এবং আধুনিকতার নামে দেশকে বিশৃঙ্খল করার অপচেষ্টায় সংস্কৃতি মহলে বেশ তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এত শিক্ষিত হয়েও স্বদেশপ্রেমে দিক্ষিত না হয়ে বিদেশি শক্তিদের গোলাম হয়ে কাজ করার জন্য রেহনুমা আহমেদের কঠোর সমালোচনা করেছেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *