আব্দুর রহিম বাবলু,কুমিল্লা :- কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার রায়কোট ইউনিয়নের ছুফুয়া গ্রামের মৃত ছেরাজুল হকের ছেলে মোঃ খোরশেদ আলম (৫২) নিখোঁজের পাঁচদিন পর লাশের সন্ধান মিলেছে তার পাশ্ববর্তী আমেরিকা প্রবাসী রফিক উদ্দিনের বাড়ির পুকুর পাড়ে মাটি চাপায় অবস্থায়।
ঐ বাড়িটি দেখাশুনার জন্য এক জন কেয়ারট্যাকার রয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে সে পুকুর পাড়ে গেলে পঁচা গন্ধ পেয়ে খোঁজ করে দেখে লাশে মাথার কিছু অংশ দেখা যাচ্ছে। তাৎক্ষণিক ভাবে সে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি জানায়, পরবর্তীতে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে।
পরিবারের তথ্য অনুসারে জানা যায় তিনি গত ৩ নভেম্বর সকালে ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হন খোরশেদ আলম।
পরে এলাকায় নিখোঁজ সংবাদ এর মাইকের মাধ্যমে প্রকাশ্য সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
ঘটনার ৩ দিন পর তার মেয়ে মুর্শিদা নাঙ্গকোট থানায় নিখোঁজের বিষয়টি জানিয়ে সাধারন ডায়েরী করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় নিখোঁজের কয়েক দিন আগে তার মেয়ে রাশিদার শশুরের সাথে ১৮ লক্ষ টাকা নিয়ে খোরশেদ আলমের সাথে জামেলা হয়, স্থানীয়দের মতে রাশিদার শশুর ১৮ লক্ষ টাকার জের ধরে খুন করতে পারে বলে দাবি স্থানীয়দের।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানা কর্মকর্তা মো:আইয়ুব বলেন লাশের শরীরে পঁচন সৃষ্টি হওয়ার কারনে শরীরের আঘাত বুঝা যাচ্ছে না। তবে মনে হচ্ছে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
ময়না তদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মর্গে পাঠানো হয়