নান্টু লাল দাস >>>>
স্বাধীনতা চেতনা হৃদয়ে পালন করেন সৈয়দ মনির আহমদ। দেশ প্রেমের স্বপক্ষে লিখনির মাধ্যমে কাজ করেন। কখনো ভয় করেন নি স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তির হানাদেরকে। হামলা মামলার শিকার ও হয়েছেন কয়েক বার। তারপর স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তির কাছে কখনো মাথা নত করেন নি সৈয়দ মনির আহমদ। প্রগতীশিল মনির কে থামাতে হামলা করে ক্ষত -বিক্ষত ও করেছিল প্রতিপক্ষ। কিন্তু মাথা নোয়াবার নয়।
শতভাগ আওয়ামীলীগ পরিবারের সদস্য মনির। তার সহোদয় ভাই দ্বীন মোহাম্মদ এর কথা লিখে শেষ করা যাবে না। দ্বীন মোহাম্মদ …………….।
মনির সোনাগাজী প্রেসক্লাবের সভাপতি মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে গুটি কয়েক সহকর্মীর। মনে হয় শতভাগ আওয়ামীলীগ পরিবারের সদস্য হওয়ার কারনে মনির কে মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে। না কি অন্য কিছু।
সোনাগাজী প্রেসক্লাবের ইতিহাস পিছনে থাক। লাগাম টানতে চাই না। সবেই আমাদের জানা আছে।
যা হোক মনির সোনাগাজী প্রেসক্লাবের সভাপতি হওয়ার পর জেলা আওয়ামীলীগ ও সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামীলীগ মনির কে সমর্থন জানিয়েছেন। এটাই ছিল মনিনের প্রাপ্য।
পাশা পাশি প্রশাসন সহ বিভিন্ন মহল থেকে সমর্থন পেয়েছেন মনির।
তাই অভিনন্দন -অভিনন্দন – অভিনন্দন জানাচ্ছি ফেনী জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারীকে। অভিনন্দন জানাচ্ছি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজ আহম্মদ চৌধুরীকে। অভিনন্দন জানাচ্ছি ফেনী পুলিশ প্রশাসন কে।
অভিনন্দন জানাচ্ছি সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামীগীকে। অভিনন্দন যারা মনিরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তাদেরকে।
এ দিকে মনির কে সমর্থন করার জন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি কেন্দ্রিয় আওয়ামীলীগ নেতা জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন কে।
সর্ব শেষ অভিনন্দন জানাচ্ছি স্থানিয় সাংসদ হাজী রহিম উল্যাহ কে।