Main Menu

কুমিল্লা নগরীর নুরপুরে আট পরিবার অবরুদ্ধ!

 

 

কুমিল্লা প্রতিনিধি :

কুমিল্লা নগরীর নুরপুর দক্ষিণপাড়ায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে একটি বাড়ির ৮টি পরিবার। ওই এলাকার প্রয়াত আইনজীবী খোরশেদ আলমের ছেলে অ্যাডভোকেট খায়রুল আলম গংদের পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত ৩২শতক জায়গা পাশ^বর্তী প্রতিবেশি প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন গংদের কাছে বিক্রির প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় প্রায় ১৮ বছর ধরে চলাচলের একমাত্র রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় গত ৫ মাস ধরে চরম মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে ৮টি পরিবার। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত নুরপুর দক্ষিণপাড়ায় বারপাড়া মৌজায় অ্যাডভোকেট খায়রুল আলমের পৈত্রিক নিবাসের ৩২শতক জায়গা জড়ে ৮টি পরিবার বসবাস করে আসছে। খায়রুল আলম গংদের বাড়ির লোকজন উত্তরমুখি নিজস্ব গেইট দিয়ে বের হয়ে পূর্বপাশের প্রতিবেশি জসিম উদ্দিন গংদের একটি আইল দিয়ে চলাচল করতো। দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে খায়রুল গংদের বাড়ির লোকজন চলাচলের একমাত্র অবলম্বন এ রাস্তা ব্যবহার করে আসছে। প্রতিবেশির আইল দিয়ে চলাচলের বিষয়টি বাধ্যতামূলক হয়ে পড়ায় খায়রুল আলম গংরা জসিম উদ্দিন গংকে এক শতক জায়গা চলাচলের রাস্তা ব্যবহারের বিনিময়ে খায়রুল গংদের বাড়ির লোকজনের চলাচলে কোন সমস্যা দেখা দেয়নি। খায়রুল আলম অভিযোগ করেন,বেশ কয়েক মাস আগে জসিম উদ্দিন গংরা খায়রুল আলমদের ৩২শতকের বাড়িটি কেনার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু খায়রুল গংরা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করতে রাজী না হওয়ার পর থেকেই গত ৫মাস ধরে পরিকল্পিতভাবে খায়রুল গংদের বাড়ির লোকজনের চলাচলের সুষ্ঠু ব্যবস্থা দেয়াল নির্মান করে বন্ধ করে দেয়। খায়রুল গংদের বাড়ির নিজস্ব লোহার গেইট থাকলেও লোকজনকে দেয়াল টপকিয়ে আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই বাড়ির নারীপুরুষ ও শিশুদেরকে বাড়িতে একরকম অবরুদ্ধ অবস্থায় কাটাতে হচ্ছে। এদিকে চলাচলের রাস্তার প্রতিবন্ধকতা নিরসনের জন্য খায়রুল আলম গত ২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা সিটি করপোরেশেন মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর কাছে একটি দরখাস্ত করেন। মেয়র এবিষয়ে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ১৮নম্বর ওয়ার্ডের তখনকার কাউন্সিলর শওকতকে দায়িত্ব দেন। এরিমধ্যে সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের পর বিষয়টি নিয়ে কাউনিন্সলর শওকত আর এগোয়নি। এবারে সিটির নবনির্বাচিত পরিষদ দায়িত্বগ্রহণের পর গত ২৫ মে খায়রুল আলম বিষয়টি ফের মেয়র মনিরুল হক সাক্কুকে অবহিত করেন। মেয়র দুই পক্ষকে মিমাংসার জন্য বসতে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর সৈয়দ সোহেল ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফসান মিয়াকে দায়িত্ব দিয়েছেন। এদিকে জসিম গং আইল রাস্তার ভেতরের দিকে একটি সরু গেইট নিমার্ণ কাজ শুরু করেছেন। যাতে করে দেয়াল টপকে খায়রুল গংদের বাড়ির লোকজন জসিম গংদের জায়গা দিয়ে আর মূল রাস্তার দিকে বের হতে না পারে। এবিষয়ে স্থানীয় দুই কাউন্সিলর জানান,অল্প সময়ে মধ্যেই দুই পক্ষকে নোটিশ করে মিমাংসার জন্য বৈঠিক আহবান করা হবে। সুষ্ঠু চলাচল প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার। সমাজে শান্তিপূর্ণভাবে সকলে সহাবস্থান নিশ্চিত হোক।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *