চাঁদাবাজীর সংবাদ প্রকাশ : লাঙ্গলকোটে পত্রিকায় অগ্নিসংযোগ

মো:আব্দুর রহিম বাবলু,নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি:-
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের মঘুয়া গ্রামে প্রথমে আটাত্তর পরিবার  থেকে একশত দুইটি মিটার বাবত চার লাখ বাইশ হাজার পাচঁশত টাকা আদায়ের ঘটনার পর দ্বিতীয়বার  বিয়াল্লিশটি পরিবারের মধ্যে প্রায় পঞ্চাশ টি মিটার বাবত সর্বমোট  সাত লাখ টাকার মত আদায়ের খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটিয়েছে গ্রামের কাউয়া আওয়ামীলীগ খ্যাত দুই নেতা ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা। বিগত কয়েক সাপ্তাহ যাবত জাতীয় ও আঞ্চলিক কয়েকটি পত্রিকাও অনলাইন-ফেইসবুকে ঘটনাটি প্রকাশের পর তোলপাড় হওয়ার ঘটনায় উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ ডিজিএমের পক্ষ থেকে দুই বার গিয়ে একবার তদন্ত করে ও আসে। কিন্তু তথ্য নেই  তাদের কাছে ও। এদিকে ফলোআপ একনং নিউজ আকারে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে তদন্ত করার পাঁচ দিন আগে আমিন প্রফেসর রাতে মিটিং ডেকেছিলেন। সেই মিটিং এখনো অব্যাহত আছে। যা তদন্তকে প্রশ্নবিদ্ধ ও ক্ষতি হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি আমাদের তিনজন প্রতিবেদককেও জানিয়েছেন। তদন্ত ও ঘটনার শেষ খবর জানতে চাইলে আদর্শ আমিন প্রথম ফলোআপ পর্বসহ এই র্পবকে জানান- আসলে গ্রামে আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভূয়া। আমি আওয়ামীলীগ করি ঠিকই কিন্তু কলেজে অধ্যাপনা করি।’ দ্বিতীয় ফলোআপ নিউজ করার সময় জানতে চাইলে জানান আদর্শ আমিন ( ০১৭১২-৪৭৮০৬৬) জানান- টাকা খরচ হয়ে গেছে। আপনি সরাসরি এসে দেখা করেন। ’ এদিকে ৯ মে ঢালুয়া ইউনিয়নের মঘুয়া গ্রামে জনৈক লোকের হাতে ময়নামতিতে এ বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হলে গ্রামে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এতে আদর্শ কলেজের প্রফেসর আর্দশ আমিনের পক্ষের লোকেরা তা কেড়ে নিয়ে ছিড়ে ফেলে। এবং পত্রিকাতে অগ্নিসংযোগ করে। এই সময় লোকটির হাতে থাকা পুরনো তিন কপি দৈনিক বাংলার আলোড়ন ও এক কপি আজকের কুমিল্লা ও অগ্নি থেকে রক্ষা পায়নি। তবে আগুনে পোড়াকৃত পত্রিকা বাংলার আলোড়ন ও আমাদের কুমিল্লার ওই সংখ্যায় কোন নিউজ ছাপেনি। কিন্তু গ্রামে এ নিয়ে হইচই শুরু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে নতুন ভাবে শুরু হলো আদর্শ আমিনের নতুন রাজত্ব ও ত্রাস কায়েম। এতে গ্রামটি রজনৈতিক ভাবে ছাড়াও আবারও এই ঘটনায় দুটি টি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়া একটি ভাগ কে নিয়ে নয় মে মঙ্গলবার রাতে সভা ডাকেন আর্দশ আমিন। ঘটনাটি চাপের মুখে রাখতে ভিন্ন চাল তৈরি করেন তিনি। তিনি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান ও একে অপরের বিপদে আপদে অন্য জন এগিয়ে আসে তার জন্য তাৎক্ষনিক একটি কমিটি ও করেন বলে জানা গেছে। আগুনে পত্রিকা পোড়ানোর ঘটনায় টক অব দ্যা ঢালুয়া ছেড়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা ব্যাপী ছড়িয়ে পড়লে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশিত হয়।  ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে আর্দশ আমিন বলেন- আমি জানি না, কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আপনি খবর নেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *