ফেনী প্রতিনিধি:
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরসহ তালিকা জমা দেয়ার মাধ্যমে গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যায়, এটি দেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক। আরপিও সংশোধন করে এটি বাদ দেয়া উচিত।
একান্ত সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেন ফেনী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মুহাম্মদ মিজানুল হক।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে ভোটারের তালিকা নিয়ে নিয়ম অনুযায়ী এটি আমি জমা দিয়েছি। প্রায় তিন লক্ষ ভোটারের মধ্যে এক শতাংশ হিসেবে তিন হাজার ভোটারের স্বাক্ষরসহ তালিকা জমা দিয়েছি।
এর মধ্যে মাত্র ছয় জনের সাক্ষর গরমিলের অযুহাত দেখিয়ে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে রিটার্নিং অফিসার। এভাবে দেশের কমপক্ষে এক হাজার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
আমি আইনের ছাত্র হিসেবে মনে করি, এক শতাংশ ভোটারের তালিকা এভাবে প্রকাশ করা বা কোন প্রার্থীর সমর্থক দেখিয়ে তথ্য ফাঁস করাটা সংবিধানের সাথে অবশ্যই সাংঘর্ষিক।
কয়েকটি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, দেশের অনেক জায়গায় দ্বৈত নাগরিক ও সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ বিতর্কিত অনেকের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, এ ধরনের সংবিধান বিরোধি আরপিওর ধারাগুলো পরিবর্তন করে যোগ্য সকল নাগরিককে ভোট করার সুযোগ দিতে হবে।
