Main Menu

ওবায়দুল কাদেরকে সরল পথে আসার আহবান মির্জার

নোয়াখালী :
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে সৎ ও সরল পথে আসার আহবান জানিয়ে তাঁর ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুুল কাদের মির্জা বলেছেন, এ আওয়ামী লীগের জন্য অনেক ত্যাগ আপনার, আপনার বীরত্বগাথা এই ত্যাগ দল কখনো ভুলবে না।

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর শেখ হাসিনা দেশে আসার আগ পর্যন্ত এই আওয়ামী লীগকে পুনঃগঠনের জন্য আপনি জেলে গেছেন, সারা দেশে বঙ্গবন্ধুর জয়গান আপনি গেয়েছেন। কিন্তু কোথায় আজকে হারিয়ে যাচ্ছেন আপনি, কোথায় আপনার সেই ঐতিহ্য? আপনি নিজেই নষ্ট করছেন আপনাকে, আপনার স্ত্রী নষ্ট করছে আপানাকে।
রোববার (১৩ জুন) দুপুরে নিজের ফেইজবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা এসব কথা বলেন।
মেয়র মির্জা বলেন, আল্লাহ আপনাদের ক্ষমতা দিয়েছেন, থাকেন-আরো বড় হোন, প্রেসিডেন্ট হোন বাংলাদেশের, আপত্তি নেই। মানুষকে ভালোবাসুন, এলাকায় চাকুরী দিবেন বলেছেন দেন নাই, গ্যাস দিবেন বলেছেন দেন নাই। পাঁচ মাস এখানে (কোম্পানীগঞ্জে) অশান্তি, আপনি মন্ত্রী! একটা পাগলকে জিজ্ঞাসা করলে, সেও বলবে এটার জন্য ওবায়দুল কাদের দায়ী। আপনি এগুলো ঠিক করেন, প্রয়োজনে আমাকে বহিষ্কার করেন। এখানে গণবাহিনী-বিএনপি-জামায়াতের লোকদের নেতা বানিয়েছেন। এগুলো ছাড়ি দিয়া সৎ পথে আসেন, সরল পথে আসেন, নীতি-নৈতিকতা নিয়ে যেভাবে অতীতে রাজনীতি করেছেন, সেভাবে আসেন। মানুষ সাদরে গ্রহণ করবে।
কাদের মির্জা বলেন, ৪৭ বছরের রাজনীতি এখানে আমি করছি, আপনি করেন নাই। আপনি ভোট করছেন, বকৃক্তা দিছেন। সুন্দর বকৃক্তা মানুষ শুনছে, মানুষ আপনারে একটু পচন্দ করে, সেটাও ঠিক আছে। কিন্তু আপনি তো আপনার কারণেই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছেন।
কাদের মির্জা বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব নিজের চেহারাটা আয়না দিয়ে দেখুন। বউয়ের খপ্পরে পড়িয়েন না। এই মহিলার লাগাম টানি ধরেন, স্ত্রীকে সামলান। স্ত্রীকে বলেন তার চেহারাটা আয়না দিয়ে দেখতে। এ মহিলা চোখ রাঙ্গিয়ে যেভাবে কথা বলে সেটা বন্ধ করান। সে কি নেত্রী নাকি? নষ্ট পোলাপান সব সে পালে, তার কি স্বার্থ? সে কি রাজনীতি করে? আপনার বউয়ের কিচ্ছা আবুল ফজল লিখেও শেষ করতে পারবেনা। দেশের বাইরে কোথায় ওনার কি আছে সব খবর আমার কাছে আছে। সেটা পরে আরেক দিন বলব।

শেয়ার করুনঃ





Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *