রামগড়ের মহিউদ্দিন মেম্বারের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা | বাংলারদর্পন

মোশারফ হোসেন, রামগড়,

খাগড়াছড়ির রামগড়ের পাতাছড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার মো: মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে মাতাল অবস্থায় গৃহবধুকে একাদিক বার ধর্ষণের অভিযোগে রামগড় থানায় মামলা হয়েছে। গৃহবধু বাবার বাড়ি নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলায় বলে জানা গেছে।

গৃহবধুর বাবা অভিযোগ করে আসামি মহিউদ্দিন বিয়ের পরপর আমার মেয়ের পিছু নেয় এতে কোন সাড়া না পেয়ে সে মেয়ের স্বামীর সাথে বন্ধুত্ব করে, এক পর্যায় মহিউদ্দিন আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ভাবে একাদিক বারধর্ষণ করে।তিনি বলেন ৪ নং আসামি আমার মেয়ের স্বামী হয়,এবং ২ -৩ নং আসামি আমার মেয়ের শ্বশুর ও শ্বাশুড়ি হয়।বিগত ৫ মাস পূর্বে আমার মেয়ের সাথে ৪নং আসামির সাথে ইসলামিক শরীয়া মোতাবেক বিবাহ হয়।

কিন্তু পরিতাপের বিষ য় যে ২-৩-৪নং আসামি গন মেম্বারের কাছ থেকে সম্পত্তি পাওয়ার আসায় আমার মেয়ে কে ১ নং আসামি হাতে তুলে দেন,আমার মেয়ের ইজ্জত নষ্ট করার জন্য,এবং একাধিক বার আমার মেয়ের ইজ্জত নষ্ট করেছে,৪নং বিবাদির অমানুষিক নির্যাতন ও জোরপূর্বক ইজ্জত নষ্ট করার সময় চিৎকার করলে ২-৩নং আসামি আমার মেয়েকে মারধর করে, পরিকল্পিত ভাবে অন্যআসামিদের সহযোগীতায় মেম্বারের হাতে একাধিক বার ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

তাছাড়া ২-৩-৪ নং আসামি আমার মেয়েকে হুমকি দিয়েছে মেয়ের সাথে যা করেছে তা কাউকে না বলার জন‍্য, আসামিদের বাড়িতে প্রতিদিন রাতে মদ জুয়া সহ খারাপ কাজের আসর বসে ওয়ার্ড মেম্বার মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে, আসামিগন আমার মেয়েকে দিয়ে খারাপ কাজের ব‍্যবসা করাতে চায়, আমার মেয়ে এ সকল অত‍্যাচার সহিতে না পেরে কলাবাড়ি থেকে ৪ মার্চ নানির বাড়ি পাতাছড়াতে চলে আসলে বিষয়টি জানাজানি হয় ।

আমি খবর পেয়ে নোয়াখালী থেকে পাতাছড়া আসি এবং বিস্তারিত জেনে গত শনিবার রামগড় থানায় ৪ জনকে আসামি করে মামলা করি, তার হলো ১ মোঃ মহিউদ্দিন মেম্বার,পিতা মনতাজ মিয়া,২ ওমর ফারুক পিতা অজ্ঞাত,৩ নুরজাহান বেগম,স্বামী ওমর ফারুক, ৪ মোঃ ফয়েজ,পিতা ওমর ফারুক, সর্বজনের ঠিকানা সাং কলাবাড়ী পাতাছড়া ইউপি রামগড় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা।

ধর্ষিতা গৃহবধু জানায় আমার স্বামী একজন মাদক সেবনকারী মহিউদ্দিন আমার স্বামী শ্বশুর শ্বাশুরীর সাথে হাত করে বহুবার আমার ইজ্জত নষ্ট করেছে। এদিকে অভিযুক্ত ইউপি মেম্বার মহিউদ্দিন জানায় একটি কুচক্রিমহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সাজানো নাটক করছে।আমি ঘটনার সাথে জড়িত নই। আমার নিবার্চনীয় এলাকায় একটি মহল আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য এই কাজ করছে।

এবিষয়ে রামগড় থানার ওসি তদন্ত মনির হোসেন জানিয়েছেন ধর্ষণের অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়েছে। গৃহবধুকে ডাক্তারি পরিক্ষার জন‍্য খাগড়াছড়ি পাঠানো হয়েছে।এবং পুলিশের তদন্ত চলছে।অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব‍্যাবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *