Main Menu

সোনাগাজীর চেয়ারম্যান মিলনের বিরুদ্ধে বয়স্ক ভাতার লোভ দেখিয়ে ভুমি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

ফেনী প্রতিনিধি :২১ নভেম্বর১৬।
সোনাগাজীর মতিগঞ্জ ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের নুরজাহান বেগম(৮০) নামের বৃদ্ধাকে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধি ভাতা পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে জালিয়াতি ও প্রতারনামূলকভাবে ১৯৯ শতক ভুমি রেজিষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে তার কয়েকজন আত্মীয়ের বিরুদ্ধে।তাদের কে জালিয়াতি ও প্রতারনায় সহযোগিতা করেছে চরছান্দিয়ার চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন মিলন এমনি অপরাধে বৃদ্ধা ও তার ছেলে নুর আলম মিন্টু র‌্যাব-পুলিশ সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।অভিযোগে প্রতারনার সাথে জড়িত নুর করিম কে ৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত অপরাধের দায়ে ১৪ বছরের সাজা ভোগকারী ও মোশারফ হোসেন মিলন কে জাল দলিল লিখক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।প্রতিবেদকের সাথে সরাসরি আলাপকালে ও ফেনীর পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন প্রতারক,ভুমিদস্যু,জাল দলিলের কারিগর হিসেবে চরছান্দিয়ার ৫ নং ওয়ার্ডের মৃত মফিজুল ইসলামের মোশারফ হোসেন মিলন, মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের আকিলপুর গ্রামের নুর করিম ও তার ছেলে ইকবাল,সাইফুর ,ইমাম হোসেন পরস্পরের যোগসাজসে প্রতিবন্ধি ও বয়স্ক ভাতা পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বৃদ্ধা নুর জাহান কে ফুসলিয়ে প্ররোচিত করে মতিগঞ্জ সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের পাশে একটি চা দোকানে এনে চায়ের সাথে ঔষধ খাইয়ে ১০৯১/১৫ দলিলে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেয়। এর কিছুদিন পর নুর করিম ও তার ছেলেরা নুর জাহানের দখলিয় ভুমি দখলের চেষ্টা করলে তারা প্রতারনা ও জালিয়তির মাধ্যমে ১৯৯ শতক ভুমির জাল দলিলের করার বিষয়টি টের পায়।এর পরেই নুরজাহান ও তার ছেলে নুর আলম তাদের অভিযুক্ত করে র‌্যাব-পুলিশ সহ বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করে।অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার অফিস স্বারক নং- অপরাধ-১৬/২০১৪/২য় তাং-১১/০৫/১৬ মোতাবেক সোনাগাজী মডেল থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়।বাদী নুর জাহান ও নুর আলম মিন্টু বলেন, তদন্তে সত্যাতা পাওয়ার পরও সোনাগাজী মডেল এস.আই সাহ আলম টাকার বিনিময়ে একজনের নাম বাদ দিয়ে বাকিদের অভিযুক্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে এবং আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। তারা আরও বলেন,প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযুক্ত ১ জন কে বাদ দেওয়ার কারনে নারাজি দিতে চাইলে পুলিশ সুপার কার্যালয় অভিযুক্ত মোশারফ হোসেন মিলন কে বিষয়টি দ্রুত সুরাহার নির্দেশ দেন।বৃদ্ধা নুর জাহান জানান,পুলিশ সুপার কার্যালয়ের নির্দেশের পরও চেয়ারম্যান মিলন,বেলু মুহুরীসহ কয়েকজন প্রভাবশালী বিষয়টি সুরাহা না করে টালবাহানা করছে এবং প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে।সরজমিনে জানা যায়,সহায় সম্ভল হারিয়ে স্বামীহারা বৃদ্ধা নুর জাহান ১ জন জন্মগত প্রতিবন্ধি ও ১জন মানষিক বিকার গ্রস্থ ছেলে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে।পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া শেষ সম্বল হারিয়ে তারা নি:স্ব হওয়ার পথে।অর্থের অভাবে জাল দলিল বাতিলের জন্য আদালতে মামলাও করতে পারছেনা।অসহায় পরিবারটি তাদের শেষ সম্বল ফিরে পেতে মাননীয় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেথ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।প্রতারনা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ভুমি হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ফেনী ফেনী জজ কোর্টের সিনিয়ির আইনজীবি ইউছুপ আলমগির জানান, ধরনের প্রতারনার জন্য দলিল লিখক ও ভুমি রেজিষ্টার অবশ্যই দায়ী কারন তাদের সহযোগতিা ছাড়া পুলিশের তদন্তে অভিযুক্তরা কিছুতেই অপকর্মটি করতে পারতোনা।এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।তবে চেয়ারম্যান মিলন বলেন পুলিশের তদন্তে প্রমানিত হয়েছে আমি জালিয়াতির সাথে জড়তি না।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *