সাংসদ সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন এড. নাহিদ সুলতানা যুথি

মাসুদ রানা:
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন এর  সাবেক ট্রেজারার ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আইন এলামনাই এসোসিয়েশন (রুলা) এর সভাপতি নাহিদ সুলতানা যুথি।

তিনি বলেন “আমাদের আইনজীবীদের অভিভাবক ,আইন অঙ্গনের আইকন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা আপার মৃত্যুতে এক অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেলো এদেশের।

প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা >>>

পরীক্ষিত ও ‍বিশ্বস্ত সহযোদ্ধাকে হারালাম : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নাহিদ সুলতানা যুথি সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে তার ব্যাক্তিগত ফেইসবুক একাউন্টে শোক প্রকাশ করে লেখেন ”  ৯ই জুলাই ২০২০ সালে ব্যাংককের বামুনগ্রাড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের আইন অঙ্গনের আইকন ,আইনজীবীদের অভিভাবক, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, এডভোকেট সাহারা আপা চলে গেলেন ( ইন্নালিল্লাহে ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন)। এছাড়া তিনি, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, আন্তর্জাতিক মহিলা আইনজীবী সমিতি ও আন্তর্জাতিক মহিলা জোটের সদস্য।

এর আগে তিনি ২রা জুন ২০২০ সাথে বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে প্রথমে ঢাকার গুলশানে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বামুনগ্রাড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

এডভোকেট সাহারা আপা বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একজন আইনজীবী হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৪৩ সালের ১ মার্চ ঢাকার কুর্মিটোলায় জন্মগ্রহণ করেন
সাহারা আপা ছাত্র জীবনেই রাজনীতিতে যুক্ত হন। তিনি বর্তমানে একজন সংসদ সদস্য ছিলেন।

আজ এই দিনে দুঃখ ভারাক্রান্ত চিত্তে একটা কথাই মনে পরছে সুপ্রিম কোর্ট বার এর নির্বাচনের পূর্বে বাসায় গিয়েছিলাম ( আগেও বহুবার গিয়েছি ফার্মগেট এর বাসায়)। বলতেন পরশ খালা ডাকে তুমি খালাই ডেকো, চেষ্টা করেছি কিন্তু প্রাণের আপাকে খালা ডাকা হয় নাই।

বঙ্গবন্ধু,বঙ্গবন্ধু কন্যা ,আওয়ামীলীগ ,পরিশেষে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সাথে ছিল তাঁর আত্মার সম্পর্ক । এমন আস্থাভাজন ত্যাগী নেতার কথা বলে শেষ করা যাবে না।

শুধু মনে পরছে ২০০১ সালে যিনি আমাকে বার এ প্রথম সহ সম্পাদক পদে নির্বাচন করিয়েছিলেন ,পরে ২০০৮ এ উনার নির্দেশেই আমি কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচন করেছিলাম ।

এই অঙ্গনে কিছু বলার প্রয়োজন হলে যে মানুষটিকে অকপটে বলা যেতো তিনি এই মহীয়সী নারী যাকে আমরা কি দিতে পেরেছি জানিনা কিন্তু যার কাছ থেকে সাহায্য সহযোগিতা পায় নাই এমন আইনজীবী খুব কম আছে। ,মাত্র ৭৭ বছর বয়ষে তিনি চলে গেলেন।

আমি আমার অন্তরের আন্তরস্থল থেকে আপার বিদেহি আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ,মহান রাব্বুল আলামিন উনাকে বেহেস্ত নসীব করুন। বাংলারদর্পন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *