সোনাগাজী প্রতিনিধি :
ফেনীর সোনাগাজীতে এক শতক ভুমি ক্রয় নিয়ে চাচাতো ভাই শাহ আলমের সাথে জামাল উদ্দিনের বিরোধ হয়। গত ৩১জুলাই বাড়ীর আঙ্গিনায় বিরোধীয় ওই জমিতে প্রাচীর নির্মান করেন জামাল উদ্দিন। এরই জেরে ওই দিন রাতে শাহ আলমের ছেলে রিয়াজের নেতৃত্বে জামালের ঘরে হামলা ও ভাংচুর চালায় সন্ত্রাসীরা। এতে বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা জামালকে পিটিয়ে ও মুখে বিষ ঢেলে হত্যার চেষ্টা করে। রাতেই বাড়ীর লোকজন তাকে উদ্ধার করে সোনাগাজী হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরদিন উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বৃহষ্পতিবার রাতে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যান জামাল উদ্দিন।
সে উপজেলার মতিগঞ্জ ইউনিয়নের ভাদাদিয়া গ্রামের ছয়ভাইয়া বাড়ীর আলতাফ আলীর ছেলে। এর আগে ২০০৯ সালে শাহ আলম তার ছেলেদের হাতে খুন হয় জামাল উদ্দিনের স্ত্রী বিবি আয়েশা।
নিহত জামাল উদ্দিনের ছেলে মো. রায়হান বাংলারদর্পনকে বলেন, ৩১জুলাই রাতে শাহ আলমের ছেলে রিয়াজ , জাহিদ, হৃদয়, আলাউদ্দিন ও তাদের ১৫-২০জন সশস্ত্র সহযোগী ঘরে হামলা , ভাংচুর ও লুটপাট চালায় । বাধা দিলে আমার পিতা (জামাল উদ্দিন)কে তারা খুন করেন। অন্যায় সালিশী সিদ্ধান্ত না মানায় এই খুনের পরিকল্পনা করেন সমাজ কমিটির সভাপতি মাষ্টার মো. রফিকুল ইসলাম।
রফিকুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, সালিশী বৈঠকের বাহিরে আমার কিছুই জানা নেই। এ ঘটনায় নিহতের পুত্রবধূ জাকিয়া
আক্তার বাদি হয়ে রিয়াজকে প্রধান আসামী করে ৮জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী থানায় মামলা করেন।
আক্তার বাদি হয়ে রিয়াজকে প্রধান আসামী করে ৮জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী থানায় মামলা করেন।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ বাংলারদর্পনকে বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শাহ আলমের স্ত্রী আজিমা বেগম ও পুত্রবধু লাইলী আক্তারকে আটক করা হয়েছে।