নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চরহাজারী, মুছাপুর ইউনিয়নের পুর্ব অংশে প্রবাহিত ছোট ফেনী নদী থেকে স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতা ও প্রভাবশালী দের ছত্রছায়ায় চলছে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন ও মাটি বিক্রয়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বালু উত্তোলন করে আসছিলো স্থানীয় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ও প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা। এসময় তা জানতে পেরে গত সপ্তাহে কোম্পানীগঞ্জ থানার ইউএনও মোহাম্মদ ইসমাঈল হোসেন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তা উত্তোলন স্থানে এসে বালু উত্তোলন বন্ধ করে এবং আর যেনো বালু উত্তোলন না করা হয়, হুশিয়ার করে দেন।উত্তোলন করলে কঠোর ব্যাবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়।
জানা যায়, কোম্পানীগঞ্জ থানার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাঈল হোসেনের সতর্কবার্তার পর দু থেকে তিন দিন বন্ধ ছিলো বালু উত্তোলন। তারপর আবার পুরো ধমে বালু বিক্রয় শুরু হয়। এসময় দেখা যায়,আগে নদীর পুর্ব পাসে থেকে বালু উত্তোলন করা হয়।১ মার্চ বুধবার থেকে হাফেজীয়া মাদরাসার পুর্ব পাসে নদী থেকে মাটি কেটে বিক্রয় করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সচেতন ব্যাক্তি জানান,এলাকার মানুষ ভয়ে কিছু বলতে পারছে না।এধরনের কর্মকান্ড কখনই উচিত নয়।প্রশাসনের অবিলম্বে কঠোর ব্যাবস্থা নেয়া উচিত।
এ বিষয়ে চরহাজারী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল হুদার কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি কয়েকদিন আগে যখন জেনেছি তখন মাননীয় ইউএনও মহোদয় বালু উত্তোলন বন্ধ করে সতর্ক করে দিয়েছিলেন।আমি অসুস্থতাজনিত কারনে চিকিৎসার জন্য প্যানেল চেয়ারম্যান কে দায়িত্ব দিয়ে ঢাকায় এসেছি।তাই বর্তমানে বালু উত্তোলন ও মাটি বিক্রয় সম্পর্কে অবগত নয়।
এসময় কোম্পানীগঞ্জ থানার ইউএনও মোহাম্মদ ইসমাঈল হোসেনের কাছে মুঠো ফোনে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন,তারা যেহেতু নির্দেশ অমান্য করেছে সেহেতু কঠোর ব্যাবস্থা নেয়া হবে শীঘ্রই।