Main Menu

ইউএনও, ওসির বিরুদ্ধে লুটের অভিযোগ

সাহেদ সাব্বির:- চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিরুদ্ধে লুটতরাজের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় এক ব্যবসায়ী।

একইসঙ্গে মিথ্যা মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ডের ভয় দেখিয়ে ঘুষ নেয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় আরও ৪ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছেন জামাল উদ্দিন নামের ওই ব্যবসায়ী।

উপজেলার মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, দুর্নীতি দমন কমিশনের চট্টগ্রাম কার্যালয়সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে এই অভিযোগ দিয়েছেন।

লিখিত অভিযোগে ইউএনও কাজী মাহবুবুল আলম, ওসি সালাউদ্দিন চৌধুরী, এসআই মোস্তাক আহমদ, মো. খলিল, মো. দেলোয়ার হোসেন, পিযুষ কান্তি সিংহ, বেলাল হোসেন ও কনস্টেবল মো. নোমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মধ্যমে দোকান উচ্ছেদ করে নগদ টাকা ও মালামাল লুটের অভিযোগ আনা হয়েছে।

ব্যবসায়ী জামাল উদ্দিন জানান, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে পুলিশ নিয়ে ইউএনও মাহবুবুল আলম বেআইনিভাবে তার দোকান উচ্ছেদ করেন। এসময় দোকানের ক্যাশে থাকা নগদ লক্ষাধিক টাকাসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়। জামাল উদ্দিন বলেন, এ সময় আমার বৃদ্ধ বাবা, ভাই, দোকানের কর্মচারীসহ আমাকে পিটিয়ে জখম করে থানায় নিয়ে আটক রাখা হয়। আটক অবস্থায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেয়ার হুমকি দিয়ে সাদা কাগজ, কার্টিজ ও অলিখিত স্ট্যাম্পে ৫ জনের সই ও নগদ এক লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে ওইদিন রাত ১০টার দিকে আমাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

জানতে চাইলে ইউএনও কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, দোকানটির ভাড়াটিয়া জামাল দীর্ঘ এক বছর ধরে দোকানের ভাড়া না দেয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। তবে টাকা নেয়ার কথা তিনি অস্বীকার করেন।

ওসি মো. সালাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ইউএনও সাহেব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য সহযোগিতা চাইলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি অন্য কোনোভাবে দেখার সুযোগ নেই।

তবে অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *