ফেনী প্রতিনিধি : দৈনিক যুগান্তরের সাংবাদিক যতন মজুমদারের প্রাণ নাশের হুমকীর অভিযোগে জেলা ক্রিড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক ও ফেনী পৌর কাউন্সিলর আমির হোসেন বাহারের বিরুদ্ধে সোমবার দুপুরে ফেনী মড়েল থানায় জিডি হয়েছে। দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ফেনী জেলা প্রতিনিধি যতন মজুমদার বাদী হয়ে এ জিডি করেন(জিডি নং-৮৭)।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন,গত ১৩ জুন দৈনিক যুগান্তরে ‘ফেনী জেলা ক্রিড়া সংস্থার নির্বাচন,তাফসিল জালিয়িতির অভিযোগ’শিরোনামে ক্রিড়া সংস্থার দূর্নীতি, অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে আমির হোসেন বাহার ক্ষুদ্ধ হয়ে তাকে বিভিন্নভাবে প্রাণ নাশের হুমকী ও পরিকল্পিত ভাবে যুাগান্তর থেকে বহিস্কার করাতে বিপুল অর্থ তহবিল ঘটন করেছেন বলে দাবী করে আসছে বলে উল্ল্যেখ করাহয়। তেমনি ভাবে ১জুলাইয় রোববার ফেনীর ফুটবল এসোসিয়নের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি একই রকম কথা বলেন। এতে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন।
এদিকে যতন মজুমদারকে হুমকীর প্রতিবাদে ফেনী রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি জহিরুল হক মিলু,সাধারন সম্পাদক জহিরুল হক মিলন, ফেনী প্রেসক্লাবের এক আংশের সভাপতি আজাদ মালদার ,সাধারন সম্পাদক দিলদার হোসেন স্বপন, অপর অংশের সভাপতি আবু হাতের,সাধারন সম্পাদক রঞ্জু,ফেনী টিলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি-সম্পাদক,সোনাগাজী প্রেসক্লাব,বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক আন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রানা সাদ গুপ্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক উক্তম চক্রবর্তী, ফেনী জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক শুকদেব নাথ তপন. সদস্য সচিব শিবু প্রশাদ মজুমদার,ফেনী সদর হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার চঞ্চল দে,ছাত্রযুব ঐক্য পরিষদের আহবায়ক পলাশ ভূমিক,সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট শিপন বিশ্বাস,ফেনী সরকারী কলেজ ছাত্রযুব ঐক্য পরিষদের আহবায়ক শৈরভ সাহা, ফেনী পৌর ঐক্য পরিষদের আহবায়ক রিপন সাহা, জেলা পুজা উৎযাপন পরিষদের সভাপতি রাজিব খগেশ দত্ত, ফেনীর মানবাধিকার সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম নান্টু, ফেনীর সিনিয়র আইজীবী অ্যাডভোকেট ফয়েজুলহক মিলকি, বাংলাদেশ মফস্বল সংবাদিক ফোরামের সভাপতি জসিম উদ্দিন, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মনির আহমদ ও বিভিন্ন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন সত্য ও বস্তনৃষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করায় সরকার দলীয় কথিত এই নেতার এমন হুমকিতে ফেনীর সাংবাদিকতা আজ প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখ্য গত ২০১৩সাল ও ২০১৪সালে ফেনীর বহুল আলোচিত একরাম চেয়ারম্যান একরামুল হক একরামকে পুড়িয়ে ও গুলিকরে হত্যার দিয়ে যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার সরকার দলীয় নেতারা তার বিরুদ্ধে আদালতে ৮টি মামলা দিয়ে হয়রানি শুরু করেন দির্ঘসময় শুনানীর পর মামলা গুলি খারিজ হয়ে যায়।