অসহায় মানুষের হাসি কান্না -বাংলার দর্পন ডটকম

বাংলার দর্পন ডটকম : “মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে আমি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির একটি  ট্রেইনিং প্রোগ্রামে জয়েন করেছি। আমার বড় বোনও ওখানে কাজ করেন। আমার বেশ ভাল  লাগে  ব্যাপারটা, ছোটবেলায় একসাথে স্কুলে যাবার কথা মনে পড়ে যায়। আমার ট্রেইনিং শেষ হবার পর আমি তার জন্যে অপেক্ষা করি, ঠিক যেভাবে স্কুল ছুটির পর তার জন্যে অপেক্ষা করতাম। আমরা প্রতি সন্ধ্যায় একসাথে বাসায় ফিরি। মাঝে মাঝে আমরা বাজারে দাঁড়াই  তাজা সবজি কেনার জন্যে। আমাদের মা এইসব সব্জি দেখে খুব খুশি হন। সামান্য সব্জি বা ফল দেখে তার এত আনন্দ  দেখে খুব মজার লাগে। আমার মনে হয় সব গৃহিণীরাই বুঝি এমন, জানি না আমি কবে বুঝতে পারবো তাদের ব্যাপার স্যাপার।

 

মাশাল্লাহ আমাদের পরিবার বেশ হাসিখুশি ও স্বাস্থ্যকর পরিবার। আশা করি এমনি থাকবে সারাজীবন। আমার ট্রেইনিং ঠিকভাবে শেষ হলে আমি গার্মেন্টসে যোগ দিব, তখন বেতন পেলে কি যে ভালো লাগবে! আমি মনে মনে ঠিক করে রেখেছি প্রথম বেতনের টাকা দিয়ে মার জন্যে একটা শাড়ি কিনব। মা যে কি খুশি হবে, তার সেই আনন্দমাখা চেহারা দেখার জন্যে আমার আর তর সহিছে না। আমার বোন বলেছে আমাকে মার জন্যে শাড়ি কিনতে নিয়ে যাবে। আমার খুব ইচ্ছা, এই আশাটা আমার পূরণ হবে, আমার মাকে এমন দারুণ একটি সারপ্রাইজ দিতে পারবো!”

– একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *