Main Menu

পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকসহ জনবল সংকটে সেবা কার্যক্রম স্থবির

আবু ইউসুফ মিন্টু:-

পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা বলতে কিছু নেই।   একদিকে চিকিৎসকের শুন্যতা অন্য দিকে যে কজন দায়িত্বে রয়েছেন তাদের দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ।

আবার দুইজনের পোষ্টিং পরশুরাম হলেও যোগদানের পরদিন   থেকেই অনুপস্থিত, সংযুক্ত হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন অন্যত্র।

 

পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকের পদ রয়েছে ২১ টি বর্তমানে কর্মরত রয়েছে ৮ জন। তারমধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ১০ জনের মধ্যে ৪ জন কর্মরত রয়েছে।  কর্মরতরা সরকারের নির্ধারত সময়ে  হাসপাতালে উপস্থিত থেকে রোগীদের আন্তরিকতার সাথে ঠিকটাক ভাবে দায়িত্ব পালনের নজির নেই।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইনডোরে ভর্তি রোগীদের একমাত্র ভরসা নার্স, কিন্তু তাদের  বিরুদ্বেও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ।

 

হাসপাতালে ২৭ জন নার্সের মধ্যে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১০ জন।

হাসপাতালের সবগুলি টয়লেট ব্যবহার অনুপোযোগী ৫ জন সুইপারের মধ্যে কর্মরত রয়েছে মাত্র ১ জন।

 

প্রায় ১০ বছর ধরে এক্সরে বিভাগ বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও আল্টাসোনাগ্রাফী মেশিনটি বন্ধ রয়েছে ২ বছরের ও বেশী সময় ধরে।

চিকিৎসকেরা কমিশনের জন্য পাঠিয়ে দেন পাইভেট  পরশুরাম হাসপাতাল গুলিতে। সেখানে রুগীদের দিতে হয় বাড়তি টাকা।

২ জন চিকিৎসক  পরশুরাম হাসপাতালে পোষ্টিং হলেও তারা সংযুক্ত হয়ে অন্যত্র চাকুরী করছেন ।  ডাক্তার আবদুল মতিন কর্মরত আছেন ফেনী সদরে, আর ঢাকায় কর্মরত রয়েছেন ডাক্তার বুসরা নুর আল চৌধুরী।

হাসপতালের জরুরী বিভাগে দুইজনের পদ থাকলেও দুটি শুন্য,

উপজেলার দুটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা বলতে কিছুই নেই, সেখানে মেডিকেল অফিসার, এমএলএসএস সহ সব গুলিই পদই শুন্য।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রবেশ পথে একটি ব্যানারে লেখার সাথে  ভিতরের বাস্তবতার কোন মিল নেই।

ব্যানারে লেখা আছে আমি ও আমার প্রতিষ্ঠান দুর্নীতিমুক্ত ডাক্তার মো আবদুল খালেক উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

 

হাসপাতালের টিকেট কাউন্টারে দেখা যায় ভিন্ন  চিত্র প্রতি টিকেট ৩ টাকা হলেও রোগীরা  ১০ টাকা, কিংবা ৫ টাকার নোট যাই দেয়া হোক না কেন ফেরত দেয়ার কোন নজির নেই।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *