কাজী মিজানুর রহমান মিস্টার ঃ প্রকাশ- ৭ নভেম্বর ১৬। সোমবার ২০:১০।
ফেনী জেলা আইনজীবি সমিতির নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসছে। আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০১৭ইং এর মধ্যে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন নিয়ে আইনজীবিদের অবসরে আড্ডায় এখন ঘুরে ফিরে নির্বাচনের বিষয়ে কথাবার্তা চলছে। নির্বাচনী প্যানেল নির্ধারণে জটিল রাজনৈতিক সমিকরণ চলছে।
সারা দেশের ন্যায় ফেনী বারেও আ’লীগ-বাম-প্রগতিশীল প্যানেল বনাম বিএনপি-জামাত প্যানেলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। জানা গেছে প্রগতিশীল বামপন্থি গণতান্ত্রিক আইনজীবি সমিতি ও আওয়ামী আইনজীবি পরিষদ সমর্থিত প্যানেল সম্মিলিত আইনজীবি সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এ প্যানেলের সম্ভাব্য সভাপতি পদে এ.পি.পি এড ফরিদ আহম্মেদ হাজারী ও সিনিয়র আইনজীবি এড. মো. আলীর নাম শুনা যাচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক পদে একক ভাবে এ.কে.এম ফয়েজুল হক মিল্কি’র নাম শুনা যাচ্ছে। জনাব মিল্কি ক্লিন ইমেজ সম্পন্ন ধী-মান ব্যাক্তি হিসেবে আইনজীবি সহ সর্ব মহলে সু-পরিচিত।
অন্যদিকে বিএনপি-জামাত সমর্থিত আইনজীবিদের সমন্বয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবি সমমনা পরিষদের ব্যানারে নির্বাচনে নামবে। এ প্যানেলের সভাপতি পদে গতবারের পরাজিত প্রার্থী এড. সফিকুর রহমান ও এড. আবুল বশর চৌধুরীর নাম আলোচিত হচ্ছে। সাধারণ সম্পাদক পদে এড. পার্থপাল চৌধুরী, এড. এ.এস.এম জুলফিকার বকুল ও এড. শহীদুল ইসলামের নাম শুনা যাচ্ছে। বিএনপি-জামাত সমর্থিত প্যানেলকে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সমর্থন দিতে পারে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। ইতিপূর্বে ফেনী বারের নির্বাচনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, খাগড়াছড়িতে কর্মরত ৭৬ জন ভোট দিতেন। এবারের নির্বাচনে আর সে সুযোগ থাকছেনা।
সামগ্রিকভাবে ফেনী বারের নির্বাচনে এখন পর্যন্ত আওয়ামী-বাম-প্রগতিশীলরা সুবিধা জনক অবস্থানে রয়েছে। বিএনপি-জামাত পন্থিরা প্যানেল নির্ধারণে এখন পর্যন্ত বিভক্তি ও দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে রয়েছে। নির্বাচনী তফশীল ঘোষণার পরে এ নির্বাচনে আরো চমক দেখা দিতে পারে। দল-নিরপেক্ষ স্বতন্ত্র একটি প্যানেল ও নির্বাচনে অংশ নিতে পারে বলে গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে।