Main Menu

দিরাইয়ের জগদলে হাওর রক্ষা বাঁধের কাজ দেখে হাওর পাড়ের মানুষজন সন্তুষ্ট 

মো. নাইম তালুকদার :

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের ছোটবড় হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মানের কাজ দেখে খুশীতে আত্মহারা হয়ে উঠেছেন হাওর পাড়ের মানুষজন। এ কাজ দেখে আনন্দে মেতে উঠেছেন হাওর০০৯প পাড়ের কৃষক কৃষাণী। অনেকের মনে এই গভীর ভাবনা যে বহু কষ্টের স্বপ্নের ফসল ব্যুরো ধান  এবার ঘরে উঠবে। হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের আগে অত্র এলাকার কৃষকরা আতংকে ভূগছিলেন। কারণ গতবছর অকাল বন্যায় তলিয়ে গিয়েছিল তাদের একমাত্র সম্ভল ব্যুরো ফসল। এনিয়ে হাওর পাড়ের কৃষদের মনে নানা দূচিন্তা ছিলো। হাওর পাড়ের কৃষকদের মতে এবার এ ইউনিয়নের মাঝে  ফসল ঘরে উঠার জন্য  বাঁধ খুব মজবুত হয়েছে। অনেকে কৃষকরা  খুশীতে আত্মহারা হয়ে  আবেগ আপ্লুত কন্ঠে জানান, আমরা বহুদিন পূর্ব থেকে দেখে আসছি আমাদের সেফটির হাওর হুরামন্দা  হাওর, পূর্বের হাওর পশ্চিম হাওরে বাঁধ নির্মান করা হতো। কিন্তু এরকম মজবুদ  করে আগে কাজ করা হতো না, এবার যে ভাবে উচ্চু ও শক্ত হয়েছে।

আগের দিনের চেয়ে এবার হাজার গুন কাজ বেশি কাজ হয়েছে। আগের দিনে নামমাত্র এবাঁধে কাজ হতো। এবার খুব ভালো হয়েছে। আমাদের হাওর গুলো প্রায় রক্ষিত আছে, বাঁধ নির্মান সুষ্টু ভাবে হওয়ায়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু করে দিনব্যাপী   দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের সব ক,টি গুরুত্বপূর্ণ  হাওর রক্ষা বাঁধ সরজমিনে ঘূরে দেখেতে গিয়ে, সেফটির হাওর ও হুরামন্দা হাওর পূর্ব পশ্চিম হাওর দেখতে গিয়ে সাধারণ কৃষদের সাথে  আলাপ কালে এসব কথা শুনা যায়  হাওর পাড়ের বঞ্চিত কৃষকগোষ্ঠির মুখ থেকে । তারা আরো জানান,  সরকার আমাদের হাওর রক্ষা বাঁধের জন্য প্রচুর পরিমাণ বরাদ্দ দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারের করুনায় আমরা বাঁধ নির্মানে আমাদের ফসলের নিরাপত্তা  পেয়েছি। তাই হাওর পাড়ের মানুষজনের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।

লাল মিয়া নামের এক কৃষক জানান,  এবার বাঁধ নির্মান কাজ অন্য বছরের তুলনায় অনেক কাজ হয়েছে শুধু তদারককারীদের কারণে। লেবু মিয়া নামের আরেক কৃষক জানান, হাওরের বাধের কাজ খুব ভালো হয়েছে এবার।কারণ আমাদের এদিকে গার্ড ছিলো কঠোর। অন্যদিকে যদি বাঁধ নির্মানে দূর্নীতি  হয়ে থাকে ও  আমাদের এদিকে তদারাকি ছিলো খুব গরম। ইউনও স্যার সহ প্রশাসনের সকর্মকতা  প্রতি সপ্তাহে আসতেন। আর আমাদের চেয়ারম্যান শিবলী আহমেদ বেগ প্রতিদিন সাধারণ কেটে খাওয়া মানুষজনের মতো হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মানের জন্য বাঁধে বাঁধে তদারকি ও হাটা চলা করতেন। তিনি পিআইসিদেরকে কঠোর তাগিদ দিতেন বাঁধ দ্রুত নির্মাণের জন্য । আব্দুল লতিফ নামের আরের কৃষক জানান, তুলনাহীন কাজ হয়েছে আমাদের বাঁধে।পিআইসিদের কঠোর তাগিদ দেওয়াতে আমাদের এই কাজ পাওয়া যথা সম্ভব হয়েছে।  ইউনও সাহেব  চেয়ারম্যান সাহেব  পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাসহ  সাংবাদিক ভাইয়েরা আমাদের  বাঁধের কাজের জন্য কঠোর জিম্মাদারি প্রদান করাতে। যা অন্য বাঁধের চেয়ে অধিক তুলনাহীন কাজ হয়েছে।
জিয়াউর রহমান নামের আরেক কৃষক জানান, পিআইসিদেরকে কঠোর ভাবে তাগাদা দেওয়াতে এই কাজ হয়েছে। যা স্বাধীনতার পর থেকে যতবার কাজ করানো হয়েছে। এবার তার চেয়ে অধিক কাজ হয়েছে।

হাওর বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্পের সভাপতি আলমঙ্গীর মিয়াসহ অন্যান্যরা  জানান, এবার আমাদের ইউনিয়নের হাওর রক্ষা বাঁধে নজীরবিহীন কাজ হয়েছে।  যা অন্য বছের তুলনায় অধিক। তবে এবার যেভাবে পিঅাইসিদেরকে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। তা অন্য কোন  বছরের জন্য এক ইতিহাস হয়ে দাঁড়াবে। আমরা না খেয়ে ও দিনরাত প্ররিশ্রম করে বাঁধের কাজ করেছি, এখন আমরা বিল পাইনি এ দুঃখ কার কাছে বলবো। জগদল ইউনিয়নের হাওর রক্ষা বাঁধে  চেয়ারম্যান শিবলী বেগের তদারকিতে ব্যাপক কাজ হওয়ার বিষয়টি উনার কাছে  জানতে চাইলে তিনি বলেন,

এই কাজের  সফলতা আমার  একা নয়,এই সফলতা আমার জগদল ইউনিয়নের ৩৮ টি গ্ৰামের প্রতিটি মানুষের।
প্রতিটি গ্ৰামের মানুষ, আমাকে ও আমাদের পিআইসি দের সর্বাত্মক ভাবে সহযোগিতা করছেন।তাই প্রতিটি কাজ সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ আমাদের ইউনিয়ন বাসির উপর।
ইনশাআল্লাহ এবার কৃষকের ঘোলায় ধান উঠবে।

দিরাই উপজেলার নির্বাহী অফিসার পানি উন্নয়ন বোর্ডের সভাপতি
সভাপতি মঈন উদ্দীন ইকবালকে বাঁধের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন,জগদল ইউনিয়নের কাজ খুব ভালো হয়েছে। স্হানীয় এলাকার সকলের প্রচেষ্টায় এ কাজ করা সম্ভব হয়েছে। আমি মনে করি শুধু আমার তদারকি নয় ইউপি চেয়ারম্যান শিবলী আহমেদ বেগ সহ সকল জন প্রতিনিধি কৃষকসহ  সকলের তদারকিতে এ বাঁধ সটিক ভাবে নির্মান ক কাজ হয়েছে পিঅাইসিরা।  আমি আশাকরি এবার আর আগাম বন্যায় কৃষকদের স্বপ্নের  ফসল বরো ধান আর আকালে তলিয়ে যাবে না।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *