Main Menu

শিবির ক্যাডাররা এখন কথিত সাংবাদিক ও সাহিত্যিক পরিচয়ে তৎপর : নজরদারী প্রয়োজন

 

মন্তব্য প্রতিবেদনঃ

(রেফারেন্স- ও.সি হুমায়ুন কবির  এর ফেসবুক আটিক্যাল) সোনাগাজী মডেল থানার ভূতপূর্ব অফিসার ইনচার্জ জনাব হুমায়ুন কবির  সোনাগাজীর সাংবাদিকতা নিয়ে একটি ফেসবুক পোস্ট সর্বত্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছিল। ও.সি সাহেবের ফেসবুক পোস্ট করার পরপরেই প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, জনকন্ঠ ও ভোরের কাগজ সহ  বেশীরভাগ জাতীয় দৈনিকে গোয়েন্দা সংস্থার বরাতে একই ধরনের সংবাদ প্রকাশিত হয়। সারাদেশে   জামাত-শিবিরের দূর্ধর্ষ সন্ত্রাসীরা সাংবাদিক, কবি-সাহিত্যিক পরিচয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছে।  সোনাগাজীও এ প্রবনতার বাইরে নয়। বিগত কিছুদিনে লক্ষ্য করা গেছে- হঠাৎ করেই ফেসবুক আইডি নির্ভর সাংবাদিক ও অখ্যাত-আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা কিংবা ফেসবুক টিভি (!)’র পরিচয়পত্র নিয়ে রীতিমত মোটরবাইক হাঁকিয়ে সোনাগাজীর অলি-গলি ঘুরে বেড়াচ্ছে এসব কথিত সাংবাদিক, কবি-সাহিত্যিকেরা। এসব ফেসবুক নির্ভর তথাকথিত সাংবাদিকেরা প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিক নয়। তারা সাংবাদিকতা বুঝেও না। কিন্তু সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে জামাত-শিবিরসহ রাষ্ট ও সরকার বিরোধী শক্তির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে চলেছে। এসব সাংবাদিকের ফেসবুকে কপি-পেস্ট করা সংবাদ ব্যাতিত মৌলিক কোন লেখা চোখে পড়ে না। ক্ষমতাসীন দলের অভ্যন্তরীন দ্বন্ধ-মত:বিরোধকে বিচক্ষনতার সঙ্গে কাজে লাগাচ্ছে তারা। এ অর্বাচীনেরা  আ’লীগের এক নেতার আশীর্বাদ নিয়ে আরেক নেতার চরিত্র হননের মিশনে রয়েছে। জামাত-শিবিরের তহবিল থেকে নিয়মিত ভাতা ভোগীরা নিজেদের অত্যন্ত নেকেট চেহারা প্রকাশ করেছে ৮ ফেব্রুয়ারী খালেদা জিয়ার রায় ঘোষনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে। সোনাগাজীতে যুবদল নেতার নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলের পর পরেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছলে তথাকথিত ঐসব ফেসবুক সাংবাদিক জোরে-শোরে বলতে থাকে যে- ওইনেতা মিছিলে ছিলেন না। অথচ যুবদল নেতা নিজের আইডিতে বিক্ষোভ মিছিলের ছবি পোস্ট করেছেন এবং মডেল থানার সি.সি ক্যামরা ভাংচুর পূর্ববর্তী রেকর্ডিংয়ে ঐ যুবদল নেতাকে অগ্রভাগে দেখা গেছে। তাহলে ঐসব ছদ্মবেশী কথিত সাংবাদিকরা তাকে দেখে নি কেন ? তারাই পাঁচ মিনিট পর সে নেতার বাড়ীতে গিয়ে তার বাড়ীতে আ”লীগ-পুলিশ যৌথভাবে হামলা করেছে মর্মে ঐ নেতার বক্তব্য ফেসবুকে প্রকাশ করেছে। প্রকৃতপক্ষে সেখানে পুলিশ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালিয়েছেন। কোন ধরনের ভাংচুরের ঘটনাই ঘটেনি।

নিয়মিত দেখা যায় এরা নিজের ছবি পোস্ট করে “আমরা এখন চা খাচ্ছি” ধরনের লেখা লিখে এবং আ”লীগ নেতা ও সরকার দলীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে কৌশলে সেলফি তুলে  নিজেদের সরকার দলীয় লোক ও সাংবাদিক দাবী করে। ঐ পুলিশ কর্মকর্তা ফেসবুক পোস্টে আক্ষেপ করে লিখেছেন- যদি ফেসবুকে ২/৪টি ছবি- আর কপি-পেস্ট করা লেখা পোস্ট করে সাংবাদিক হওয়া যেত, তাহলে সকল ফেসবুক ব্যাবহারকারী নি:সন্দেহে বড় সাংবাদিক।  জামাত-শিবিরের সাংগঠনিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে এরা কেউ থানার ভিতরে- বাইরে, কেউ পৌরসভায়, কেউ আ’লীগ অফিসে, কেউ উপজেলার বিভিন্ন দফতরে ডিউটি করে। পুলিশ ও আ’লীগের বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা এরা আগে-ভাগেই বি.এন.পি-জামাতের সন্ত্রাসীদের কাছে পৌছে দিয়ে নিজেরা লাভবান হচ্ছে। অনুসন্ধানে সোনাগাজীতে সাংবাদিকের ছদ্মবেশধারী জামাত-শিবিরের ৫/৬ জন ক্যাডারকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ওদের প্রত্যেকের বিস্তারিত তথ্য প্রশাসনের নজরে আছে। এদের ভয়ংকর রাষ্ট্রবিরোধী ও আইন-শৃংখলা বিরোধী কর্মকান্ডের  অভিযোগ প্রশাসনের হাতে রয়েছে। সুশীল সমাজের অভিমত- প্রশাসন ও আ’লীগ নেতাদের বোকা বানিয়ে এরা সাংবাদিকের ছদ্মবেশ নিয়ে বেশীদিন টিকে থাকতে পারবে না।

লেখক -সৈয়দ মনির অাহমদ, সভাপতি সোনাগাজী প্রেসক্লাব।

শেয়ার করুনঃ





Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *