Main Menu

লাখো মুসল্লির আগমনে দিরাই জামেয়ার মহা-সম্মেলন সম্পন্ন

 

 

মো.নাইম তালুকদার : মাদরাসা মাঠ থেকে ফিরে:

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া হুসাইনিয়া  মাদ্রাসার  উপলক্ষে দিনব্যাপী  ইসলামী মহাসম্মেলন সোমবার রাতে শেষ হয়। এ সময়  দিরাই, শাল্লা ও পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলাসহ বিভিন্ন পল্লী অঞ্চলের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা  আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন।

 

মাদরাসা ময়দানে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির আমিন আমিন ধ্বনিতে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে  দিনব্যাপী  ইসলামী মহাসম্মেলন সোমবার রাতে শেষ হয়।

 

জামিয়া ইসলামিয়া আরাবিয়া হুসাইনিয়া  মাদ্রাসার  উপলক্ষে আজ রবিবার  সকালে এই সম্মেলন শুরু হয়ে সোমবার  মধ্য রাতে শেষ হয়। দিনব্যাপী সম্মেলনে ওয়াজ নছিহত, কেরাত, হামদ, নাতসহ বিভিন্ন ইসলামিক সংগীত পরিবেশন করা হয়। সম্মেলনে ঈমান, আখলাক, আমল নিয়ে বয়ান করেন  আগত মেহমানগণ। দিরাইয়ের সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তিত্ব শায়েখ মাওলানা ছালিকুর রহমানের সভাপতিত্বে

মাদরাসার সুনামধন্য সাবেক শিক্ষা সচিব মাওলানা ফখরুল ইসলামের  ও সিনিয়র শিক্ষক শায়েখ মাহবুবুল হকের যৌত্র সঞ্চালনায় নসীহত পেশ করেন,

ঐতিহাসিক শাপলা সত্তরের বীর সেনানী আল্লামা জুনায়েদ আল-হাবীব, বিশ্ববরেণ্য  বক্তা আল্লামা জুবায়ের আহমদ

আনসারী, মাওলানা মশহুদ মাওলানা প্রেন্সিপাল মাওলানা শুয়াইব আহমেদ, ছাদিকুর রহমান,,দেশ-বিদেশের আলেম-ওলামারা বয়ান করেন।

প্রধান অথিতির বক্তব্য শাপলা সত্তরের বীর সেনানী আল্লামা জুনায়েদ আল-হাবীব বলেন,যদি আল্লাহকে অনুস্মরণ করতে চাও, তাহলে মহা-মানব আখেরী নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)কে অনুসরণ ও করুন। আর বিশ্ব নবীর  আদর্শকে বাস্তবায়ন করতে কওমী মাদরাসার শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। আল্লাহ ও  আল্লাহর রাসুলের খেলাফত এই দুনিয়ায়  কায়েম করতে হলে কওমী মাদরাসার শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে, আমাদের শিশুদেরকে কওমী শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। কারণ যুগে যুগে যখন বেঈমান ও মুনাফেকদের সাথে লড়াই করতে হবে।

আল্লামা জুবায়ের আহমেদ আনসারী বলেন, ইসলাম ও মুসলামানদের আজীবন  খেদমত আনজাম দিয়েছে কওমী মাদরাস। বর্তমান যুগের আদর্শের প্রতিক হলো কওমী শিক্ষা।

আখেরি মোনাজাতে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়। সম্মেলন উপলক্ষে বিগত বছরের কৃতি শিক্ষার্থীদেরকে সম্মানন হিসাবে সুন্নতি  পাগড়ী প্রদান করা হয়।

উপজেলা  প্রশাসনের পক্ষ থেকে  হয় ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা।

দিরাই থানার সার্কেল বেলায়েত শিকদার বাংলার দর্পনকে বলেন,এই দিরাইয়ে আমার সর্ব প্রথম আমি একটি মহা-সম্মেলন দেখেছি। আমার খুব ভালো লেগেছে, ইহা আমাদের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। আর চার দিকে প্রশাসনের কটোর নজরদারী আছে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *