Main Menu

নতুন বছরকে বরণ – বাংলারদর্পন

অনলাইন ডেস্ক :

০১ জানুয়ারি ২০১৮।

কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয়েছে। গেল বছরে নানা জনবহুল স্থান সন্ত্রাসী হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই জনমনে শঙ্কা ছিল। তাই নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর অনুষ্ঠানে ছিল কড়া নিরাপত্তা। তবে শঙ্কাকে পাশ কাটিয়ে শেষে জয় হয়েছে উচ্ছ্বাসের।

এএফপির খবরে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি হারবার ব্রিজে নানা রঙের আতশবাজি ফুটিয়ে ২০১৮ সালকে বরণ করে নেওয়া হয়। শহরের প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অন্যদিকে তাসমান সাগরের আরেক দেশ নিউজিল্যান্ডেও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়েছে। ঘড়িতে রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ার ভবন থেকে আতশবাজি ফোটানো হয়। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ছাড়াও এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকা অঞ্চলেও ২০১৭ সালকে বিদায় জানিয়েছে মানুষ।

হংকংয়ে মধ্যরাতে প্রায় ১০ মিনিট ধরে সুরের তালে তালে আতশবাজি ফোটানো হয়। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় নতুন বছর উপলক্ষে গণবিবাহের আয়োজন করা হয়েছিল। সরকারি উদ্যোগে এ সময় মোট ৫০০ জন দম্পতির বিয়ে হয়। এ ছাড়া নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে দেশটির মূল সড়ক ও পর্যটন স্থানগুলোতে ছিল মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

দুবাইয়ে আতশবাজি ফোটানোর সঙ্গে সঙ্গে ছিল লেজার শোর আয়োজন। বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবন বুর্জ খলিফাতে লেজার শো আয়োজন করা হয়। রাশিয়ার মস্কোতে মূল সড়কগুলোর মোড়ে আতশবাজি পোড়ানো হয়।

অন্যদিকে ফ্রান্সে হাজার হাজার মানুষে মুখরিত ছিল প্যারিসের রাস্তা। নানা রঙের আলোয় সাজানো হয় বিভিন্ন ভবন। গত দুই বছরের মধ্যে এবারই প্যারিসে নতুন বছর বরণের অনুষ্ঠানে এত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা গেছে। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল নিশ্ছিদ্র। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল প্রায় এক লাখ ৪০ হাজার পুলিশ ও সেনা সদস্য।

শুধু ফ্রান্স নয়। অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নতুন বছর বরণের আয়োজনে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা লক্ষ্য করা গেছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *