Main Menu

৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছাত্রলীগের যত চমক – বাংলারদর্পন

 

প্রতিবেদক : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে থাকছে চমক আর নতুনত্ব। রাজধানীকে বর্ণিল সাজে সাজানো থেকে শুরু করে নানা চমক দেখাতে প্রস্তুতি শেষ করেছে দেশের সবচে বৃহৎ এ ছাত্র সংগঠনটি। ছাত্রলীগের সভাপতি এম সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন পূর্বপশ্চিমবিডি.নিউজের সঙ্গে আলাপকালে নানা চমক আর নতুনত্বের কথা জানিয়েছেন।

তারা বলেন, ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছাত্রলীগের ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং আন্দোলন সংগ্রামের সাফল্য দেশের মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে।। এ জন্য সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে রাজধানীকে সাজানো হবে বর্ণিল সাজে।

আগামী ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।

সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গোটা রাজধানী সাজানো হবে রঙিন সাজে। আলোকসজ্জা করা হবে নগরীর প্রতিটি সড়কদ্বীপ, ফ্লাইওভার, ফোয়ারা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায়। নগরীর প্রবেশ পথগুলোতে বানানো হবে তোরণ। সড়কের মোড়ে-মোড়ে টাঙানো হবে জাতীয় পতাকা। টাঙানো হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দিয়ে বিলবোর্ড, ব্যানার। ব্যানার ফেস্টুনে তুলে ধরা হবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জন্মলগ্ম থেকে বর্তমানের ইতিহাস-ঐতিহ্য, আন্দোলন সংগ্রামসহ বিভিন্ন অর্জন। নিজস্ব অর্থায়নে এগুলো করবে রাজধানীর স্ব স্ব এলাকার ইউনিটের নেতৃবৃন্দ। বিশেষ করে রাজধানীকে বর্ণিজ সাজে সাজানোর জন্য দায়িত্ব নিয়েছেন ঢাকা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙালা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সোহরাওয়ার্দী কলেজ, বদরুন্নেসা কলেজ, হোম ইকোনোমিক্স কলেজ।

জানা গেছে, বৈঠকে শাখা কমিটিগুলোকে নিজ নিজ ক্যাম্পাস ও এর আশ-পাশের এলাকা বর্ণিল সাজে সাজাতে বলা হয়েছে। এছাড়া এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অনুমোদিত পোস্টার ব্যবহার করতে নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, আজ ঢাকার ১০টি কলেজ ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতাদের ডেকে বৈঠক করেছি। সংগঠনের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তারা নিজ নিজ উদ্যোগে স্ব স্ব এলাকার ফ্লাইওভার, সড়কগুলো বর্ণিল সাজে আলোকসজ্জার দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি বলেন, এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় ছাত্র সংগঠন এবং বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে যুক্ত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমরা ইতিহাস-ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্য তুলে ধরবো। জন্মের প্রথম লগ্ন থেকেই ভাষার অধিকার, শিক্ষার অধিকার, বাঙালির স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে গণঅভ্যূত্থান, সর্বোপরি স্বাধীনতা ও স্বধিকার আন্দোলনের ছয় দশকের সবচেয়ে সফল সাহসী সারথি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। তাই জাকজমকভাবেই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে চাই।

এ প্রসঙ্গে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসাইন বলেন, আগামী ৪ জানুয়ারি এশিয়ার বৃত্ততম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তরুণ প্রজন্মকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাস-ঐতিহ্য সর্ম্পকে জানাতে চাই। সে কারণে ব্যানার ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পোস্টারে বাংলাদেশের পটভূমির সঙ্গে ছাত্রলীগের ভূমিকা, আন্দোলন সংগ্রাম ও সাফল্যগুলো তুলে ধরা হবে। প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে ঢাকার কলেজ ও মহানগরের নেতাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংগঠনের দফতর সম্পাদক দেলেয়ার হোসেন শাহজাদা বলেন, রাজধানীসহ সারাদেশে ব্যানার ও পোস্টার করতে কেন্দ্র থেকে ডিজাইন দেওয়া হবে। এই ডিজাইন ইতোমধ্যে আমাদের সংগঠনের অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিয়েছেন।

শুধু ঢাকার ১০ কলেজই নয়, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ইউনিট সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকাকে সাজাবে বর্ণিল সাজে। এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, কেন্দ্রে নির্দেশ অনুযায়ী ঢাকা উত্তরের বিভিন্ন সড়কপথে আলোকসজ্জা, ব্যানার ফেস্টুন লাগানো হবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদিন রাসেল বলেন, পুরাণ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, বাবুবাজার, সদরঘাট এলাকায়সহ বিভিন্ন জায়গায় আলোকসজ্জার পাশাপাশি ১০ হাজার ফেস্টুন ও পোস্টার করা হবে। আমরা সংগঠনের ইতিহাস-ঐহিত্য দেশবাসীকে জানাতে চাই।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *