Main Menu

সালতানাত অব ওমানে মুনিরীয়া যুব তবলীগের এশায়াত মাহফিল – বাংলারদর্পন

 

 

চট্টগ্রাম ব্যুরো :

কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মহান মোর্শেদ, আওলাদে রাসূল,হযরতুলহাজ্ব শাহ্ছুফি অধ্যক্ষ আল্লামা ছৈয়্যদ মুহাম্মদ মুনির উল্লাহ্ আহমদী মাদ্দাজিল্লুহুল আলী বলেছেন,আল্লাহ তা’য়ালা তাঁর হাবীব (দঃ)কে সর্বশ্রেষ্ঠ উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা হিসেবে প্রেরণ করেছেন সৃষ্টির কল্যাণে, মানবগোষ্ঠীকে তিনি আলোকিত করে যাচ্ছেন আপন নূর দিয়ে। সাহাবায়ে কিরাম (রাঃ) সরাসরি প্রিয়নবী (দঃ) এর সিনা মোবারক থেকে নূর গ্রহণ করে ছিদ্দিকে আকবর, ফারুকে আজম, জিননূরাইন ইত্যাদি সম্মানজনক আসনে অলংকিত হয়েছেন। আর কিয়ামত পর্যন্ত উম্মতের জন্য তিনি রেখে গেছেন এ নূরে বাতেন ও তাঁর যোগ্য উত্তরসূরী,যাঁদের সিনা থেকে এ নূরে বাতেন আহরণ করা যায়। ১৪০০ বছর পরে আমরা এমন একজন যোগ্য নায়েবে রাসূল (দঃ) পেয়েছি যিনি প্রিয়নবী (দঃ) এর নূরে বাতেন আপন সিনা থেকে  আধ্যাত্মিক পদ্ধতিতে বিতরণ করেছেন। যাঁর ছোহবতে এসে হাজার হাজার পথহারা যুবক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, তাহাজ্জুদ, মিসওয়াক, জিকরুল্লাহ, দরূদে মোস্তফা পালনের পাশাপাশি নিজেদের কলুষিত ক্বলব পরিশুদ্ধ করছেন যা বর্তমানবিশে^ সত্যিই বিরল। এমনকি মুসলিম রমণীরা শরিয়তের বিধান রক্ষা করে তাওয়াজ্জুহ বিল গায়েব গ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের কলুষিত আত্মাকে পরিশুদ্ধ করছেন।

তিনি বলেন, রাসুল(দঃ) এর হাদিস দ্বারা প্রমাণিত যে ১৪০০ বছর পরেও প্রিয় নবী (দঃ) কে সাহাবায়ে কেরামদের মত বেশি মুহাব্বতকারী দুনিয়াতে আসবে। যারা নিজের সম্পদ, সন্তান-সন্ততি, পরিবার-পরিজন, জান-মাল সব কিছুর বিনিময়ে প্রিয় রাসুল (দঃ) কে বেশী মুহাব্বত করবে।বর্তমানে যার বিরল দৃষ্টান্ত হচ্ছেন কাগতিয়ার গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। যিনি চলে যাওয়ার পূর্বে অছিয়ত করে গিয়েছেন যে “আমি চলে যাওয়ার পর আমার তহবিলে যদি এক টাকাও থাকে তা আমার ছেলে-মেয়ে পরিবার পরিজন কেউ দাবী করতে পারবে না,  সেটার মালিক হবে নবী করিম (দঃ) এর প্রিয় ঘর কাগতিয়া কামিল এম,এ, মাদরাসা।যার বাস্তব প্রমাণ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বেছাল শরীফের পর দেখা যায়।

তিনি আরো বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির অপব্যবহারের মহাআগ্রাসন থেকে মুসলিম যুবক-যুবতীদের চরিত্র, আদর্শ, ঈমান, আক্বীদা রক্ষা করতে হলে গাউছুল আজমের গাউছিয়্যতের প্রযুক্তি গ্রহণ করা সময়ের দাবি, ইসলামের দাবি, কুরআন-সুন্নাহর দাবি। তিনি সকলকে গাউছুল আজমের দর্শন নিয়ে গবেষণা করার জন্য বিশেষ আহবান করেন।

তিনি গত ৮ ডিসেম্বর,শুক্রবার বাদে জুমা হতে পবিত্র জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উদযাপন উপলক্ষে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ সালতানাত অব ওমান শাখা সমূহের উদ্যোগে ওমানস্থ সাইয়ানাত মজলিশে জোহুরে আয়োজিত বিশাল এশায়াত মাহফিলে উপস্থিত মুসলিম জনতার উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

সালতানাত অব ওমানের মিনিষ্ট্র অব হেরিটেজ এন্ড কালচারের প্রতিনিধি শায়খ আবদুর রহমান আল জাহওয়ারির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের রুই সিটি শাখার এশায়াত সম্পাদক মাওলানা মঈনুদ্দিন আলকাদেরী, আমিরাতের ওলামাপরিষদের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম প্রমূখ।এছাড়াও ভারত, পাকিস্তান এবং প্রবাসী বাংলাদেশীসহ স্থানীয় মুসলমানদের উপস্থিতিতে মাহফিল প্রাঙ্গন ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।

মাহফিল শেষে প্রধান অতিথি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও উপস্থিত সকলের ইহকালীনকল্যাণ,পরকালীন মুক্তি এবং কাগতিয়ার গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *