মো. অালাউদ্দিন :
বৈরী আবহাওয়ার কারণে উত্পাদন ব্যহত হওয়ায় দীর্ঘ দিন পর্যন্ত বেশ চড়া দামেেই বিক্রি হচ্ছে শাক-শব্জী।তবে ধীরে ধীরে শীতের আগাম শব্জী বাজারে আসতে থাকায় পাইকারী বাজারে কমে আসছে শব্জীর দাম।
গতকাল চট্টগ্রামের অন্যতম পাইকারী শব্জীর বাজার,রেয়াজউদ্দীন বাজার ঘুরে দেখা যায় এখানে আলু (পুরাতন) ১২ টাকা, আলু (নতুন) ৬০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা,করল্লা ৫০ টাকা, ঝিঙা ৩৮ টাকা, চিচিঙা ৪০ টাকা, শিম ৮০ টাকা,মুলা ৪০ টাকা, পেপে ১২ টাকা,বেগুন ৩৬ টাকা,ফুল কপি ৪৫ টাকা,বাধাকপি ২২টাকা, হাতিখুরা কচু ২০ টাকা,মিষ্টি কুমড়া ১৮ টাকা দরে বিক্রী হচ্ছে। রেয়াজউদ্দীন বাজারের বিশিষ্ট পাইকারী শব্জী বিক্রেতা ওময়নামতি ট্রেডার্স এর মালিক আব্দুর রশিদ বলেন আগামী সাপ্তায় শব্জীর দাম আরও কমে আসবে।এসব শব্জীর দাম গত সাপ্তায় পাইকারী বাজারে আরও বেশী ছিল।কিন্তু নগরীর ঈশান মিস্ত্রীর হাট এবং ই পি জেড সংলগ্ন বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায় এসব বাজার গুলোতে পাইকারী বাজারের তুলনায় অনেক বেশী দামে বিক্রী হচ্ছে সব ধরণের শব্জী।
এসব বাজারে পুরাতন আলু ২০টাকা, নতুন আলু ৮০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা,করল্লা ৮০ টাকা,ঝিঙা ৬০ টাকা,চিচিঙা ৬০ টাকা,শিম ১২০ টাকা,মুলা ৬০/৭০ টাকা,পেপে ৩০ টাকা,বেগুন ৭০ টাকা,ফুলকপি ৮০ টাকা,বাধাকপি ৬০ টাকা, হাতিখুরা কচু ৪০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা দরে বিক্রী হচ্ছে।ঈশান মিস্ত্রীর হাট কাচা বাজারের খুচরা বিক্রেতা মোঃজামালের নিকট এত চড়া দামে শব্জী বিক্রির কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন “আমরা সীতাকুন্ড থেকে শব্জী কিনে আনি,বেশী দামে কিনা তাই বশী দামে বিক্রি করতে হয়। কদ্দুছ নামে একজন ঠেলাগাড়ি চালক কাচা বাজারে কেনাকাটা কারার সময় এই প্রতিবেদকের নিকট ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলে”প্রতি দিনর আয় দিয়ে চাল,ডাল কিনার পর তরিতরকারি কিনতে আসলেতখন আর সামর্থ থাকেনা।দিনের আয় দিয়ে দিন চালাতে কষ্ট হয়।”
তবে পাইকারী বাজারে ধীরে ধীরে শব্জীর দাম কমতে থাকলেও খুচরা ব্যবসায়ীরা দাম না কমানোর কারণে শব্জীর দাম আসছেনা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে।