Main Menu

ইউপি সচিবের মিথ্যা মামলায় চেয়ারম্যান মেহরাজ জেলে, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

মো. ইমাম উদ্দিন (সুমন) নোয়াখালী প্রতিনিধি-
নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ “নিঝুম দ্বীপে”র ইউপি চেয়ারম্যান মেহরাজ উদ্দিন ইউপি সচিব ছিদ্দিক আহমেদ জুয়েলের মিথ্যা মামলায় জেলে থাকায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী (মামল নং ১৩/১৪১- ২০১৬) । নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার সত্ত্বে বলেন, সচিব ছিদ্দিক আহমেদ জুয়েল নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে নানা অনিয়ম ও দুনীর্তির সাথে জড়িত রয়েছেন এবং সব বিষয়ে চেয়ারম্যানের নিদের্শ অমান্য করে প্রতিনিয়ত সাধারণ জনগণের সাথে অনিয়ম করে আসছিলেন। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার চেয়ারম্যানের নির্দেশ অমান্য করে হত দরিদ্রদের চাল বিতরণে নিজ ইচ্ছায় স্বজনপ্রীতি নিয়ে বাধ বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এতে সচিব ছিদ্দিক আহমেদ জুয়েল মিথ্যা অভিযোগ এনে হাতিয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এর নিকট লিখিত অভিযোগ করেন। সূত্র জানায়, ঐ সকল অভিযোগের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পায়নি প্রশাসন। মেহরাজ চেয়ারম্যানের ভাই সাহরাজ জানান, গত ২০০৬ সালের ২৮ শে অক্টোম্বর এই ইউনিয়নের জন দরদী নেতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কান্ডারী মেহেরাজ সাহেবের পিতা আবদুল মান্নান নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন বাসীর অধীকার আদায়ের লক্ষ্যে দেশ বিরোধী সন্ত্রসীদের গুলিতে সহিদ হন। মেহেরাজ সহ ০৪ ভাই ০৩ বোন হয়েছেন এতিম। অকালে তাঁর মা হয়ে যান বিধবা। সে কষ্ট বুকে চেপে রেখে নিঝুমদ্বীপের অসহায় মানুষের খেদমতে নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েছেন মেহেরাজ চেয়ারম্যান । তিনি আরোও বলেন এক সময় নিঝুমদ্বীপে ছিল অসংখ্য ভ’মি দস্যু চোর ডাকাত। যাদের কবলে পড়ে নিঝুমদ্বীপের জানা অজানা মা-বোন প্রাণ হারিয়েছেন। মেহেরাজ চেয়ারম্যান হবার পর নিজের জীবন বাজি রেখে সেই সব দস্যুদের হাত থেকে রক্ষা করেছেন নিঝুমদ্বীপ বাসীকে ২০১১ সালে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়ে  বিপুল ভোটে নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মেহরাজ চেয়ারম্যানের । নির্বাচনের পর নিঝুম দ্বীপ থেকে চোর,ডাকাত ও বনদস্যু,ভূমিদস্যু নির্মূল করেন। বিগত ৫ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে ৬১টি শাখা প্রশাখা রাস্তা অসংখ্যক পোল কালভাট নির্মান করেছেন। সকল স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসার উন্নয়নে বিপ্লব ঘটিয়েছেন বর্তমানে ঐ সকল বনদস্যু, ভূমিদস্যু মেহরাজ চেয়ারম্যান কে কোনঠাসা করতে নানা রকম পায়তারা চালিয়ে আসছে। গত ২২ শে মার্চ ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল  ভোটে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মেহরাজ চেয়ারম্যান।  নির্বাচনের পর থেকে ঐ সকল সন্ত্রাসীরা মেহরাজ চেয়ারম্যানের বাসা বাড়িতে হামলা ও হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। ৯ ডিসেম্বর মেহরাজ চেয়ারম্যান গ্রেফতার খবরটি সর্ব্বত্র চড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী  ফুঁস উঠে ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এর প্রতিবাধে নিব্র নিন্দা জানান। এলাকাবাসী দ্রুত মেহরাজ চেয়ারম্যান মুক্তি দিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেন । অন্যথায় যে কোন আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন বলে জানান স্থানীয়রা






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *