Main Menu

বিএনপির ৮নেতার বিরুদ্ধে ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল চৌধুরীর জিডি 

 

ফেনী প্রতিনিধি :

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ স¤পাদক মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল ও ধর্ম বিষয়ক স¤পাদক ইলিয়াছ হোসাইন নিজের ও দলের নেতাকর্মীদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ছাগলনাইয়া থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরী করেছেন । গত ৯ এপ্রিল উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে ছাগলনাইয়া থানায় একটি জিডি (নং-৪১৩-১৭) একই দিন উপজেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ইলিয়াছ হোসেন সোহাগ বাদী ৩ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে ছাগলনাইয়া থানায় অপর একটি জিডি (নং-৪১২/১৭) দায়ের করেন। জিডিতে উল্লেখিত আসামীরা হচ্ছেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নুর আহাম্মদ মজুমদার (৬০) তার ভাতিজা বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগের কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক  জালাল আহাম্মদ মজুমদার (৫০), তার ভাই আবু আহাম্মদ মজুমদার (৬৫), তার ছেলে নুরুল আফছার মজুমদার টিটু (৩৫), মিশু (৩২), ভাতিজা মহি উদ্দিন মজুমদার (৪৮), আবুল কাসেম মজুমদার শরিফ (২৮), আবদুল্লাহ মজুমদার বদির মিয়া (৬০)। জিডিতে উল্লেখ করা হয়, বিগত উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্ধি পরাজিত প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুর আহম্মদ মজুমদার তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে আসছেন। গত ২২জুন বিকেলে ছাগলনাইয়া জমাদ্দার বাজারস্থ নূরানী মসজিদে আসরের নামাযের পর নুর আহম্মদ মজুমদারের নেতৃত্বে আসামীরা উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল চৌধুরী, তার ভাই পাঠাননগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক স¤পাদক রফিকুল হায়দার চৌধুরী জুয়েলসহ তাদের দলের কোন নেতা বা কর্মীকে হত্যার উদ্দেশ্যে শলা-পরামর্শ করে। যা সে সময়ে মসজিদে উপস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক স¤পাদক ইলিয়াছ হোসেনসহ উপস্থিত কয়েকজন ব্যক্তি দেখে উপজেলা চেয়ারম্যানকে জানালেও তিনি আমলে নেননি। গত ২৩ জুন শুক্রবার ছাগলনাইয়া আজিজিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসা মসজিদে জুমার নামায শেষে দুপুর আনুমানিক পৌনে ২টায় আজিজিয়া ঈদগাহে ঈদের জামাতের আয়োজন নিয়ে আলোচনাকালে নুর আহম্মদ মজুমদারের নেতৃত্বে আসামীরা উপজেলা চেয়ারম্যানের নাম ধরে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে নামাজ পড়তে দিবেনা বলে মসজিদ থেকে বাহির হওয়ার সময় চিৎকার-চেঁচামেচি করতে থাকে। তিনি তাদেরকে মসজিদের ভেতর উত্তেজনামূলাক কথা-বার্তা থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করলে তারা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওই স্থানে এইবার ঈদের জামাত করলে রক্তবন্যা বইয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। পুনরায় তাদের গর্হিত আচরণ না করার জন্য অনুরোধ করলে তারা প্রয়োজনে টাকার বিনিময়ে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদেরকে দিয়ে তাকে হত্যা করানোর প্রকাশ্য হুমকি দেয়।গত ৬জুলাই রাতে নুর আহম্মদ মজুমদারসহ আরো কয়েকজন ব্যক্তিসহ গোপন বৈঠক করে উপজেলা চেয়ারম্যান ও তার ভাই ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যা করার জন্য নুর আহম্মদ মজুমদার এককোটি টাকা এবং তার ভাই আবু আহম্মদ মজুমদার এককোটি টাকা প্রদান করার সাব্যস্তে তাকে হত্যা করার জন্য দুই কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এতে তিনি নিজে, তার ভাই রফিকুল হায়দার চৌধুরী জুয়েলসহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের জীবন নিয়ে চরমভাবে শঙ্কিত। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মঙ্গলবার বিকেলে ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুর আহম্মদ মজুমদার বলেন, এই ধরণের অভিযোগ কাল্পনিক,অতীতেও আমরা কারো বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে করিনি ভবিষ্যতেও করার আকাংখা নেই। আওয়ামীলীগ নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল চৌধুরী প্রকাশ্যে সভায় তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিলেও থানায় অভিযোগ নেয়নি তার অভিযোগ। ছাগলনাইয়া থানার ওসি আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ জানান, জিডি দুটি তদন্তের জন্য ওসি (তদন্ত) গোলাম জিলানীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। জিডি দুটির তদন্ত চলছে। সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *