পুলিশ ও সাংবাদিকের সহযোগিতায় চালক ফারুক উদ্ধার

আব্দুর রহিম বাবলু,স্টাপ রিপোর্টার:-
২৩  মে   বায়েজীদ থানা চালক লীগের সদস্য ড্রাইভার ফারুক দুই মাসের পাপ্য বেতনের টাকা চাইতে গেলে গাড়ির মালিক প্রভাবশালী মোঃ ইউনুস ও তার সহযোগী কদমতলী সানরাইজ টেনেসফোটের দালাল কুখ্যাত সন্তাসী তারেক সহ ফারুক মিথ্যা চুরির অপবাদ দিয়ে অমানবিক আচরণ করেন এবং অগাত স্থানে আটকে রেখে পতেঙ্গা থানায় চুরি মামলার ডায়রি করে।তারপর ৭ দিন ধরে ফারুকের মা কে গাড়ির মালিক ইউনুস ফোন করে ৩০০০০০ তিন লক্ষ টাকা মুক্তি পণ দাবি করেন।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী মটর চালক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান মোহাম্মদ রণি জানান,
গত ২৯ মে বিশেষ সূত্রে আমরা জানতে পারি, ফারুকে কদমতলী এলাকায় আটকে রাখে।আমরা সাথে সাথে সদরঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে থানার ওসি তদন্ত অভিযোগ নেয়নি, আমরা নিজরুপায় হয়ে চট্রগ্রাম মহানগর চালকলীগ সভাপতি হাজী নুরুজ্জামান ও আমার সংবাদিক বন্ধুদের পরামর্শ নিই,কিছুক্ষণ পর নুরুজ্জামান  সদর ঘাট থানার ওসি মর্জিনা মহোদয়ের সাথে আলাপ করে অভিযোগ দায়ের করার ব্যবস্থা করে দেন। সদরঘাট থানায় অভিযোগ নেওয়ার পর মালিক পক্ষের কিছু ভাড়াটিয়া গুন্ডা দিয়ে আমাদের কে  হুমকি ধম্কী দেয় বিষয়টা নুরুজ্জামান সাহেবকে জানালে তিনি আমাদেরকে সাহস দেন এবং সদরঘাট থানা থেকে আমাদেরকে পতেঙ্গা থানায় যোগাযোগ করতে বলেন। পতেঙ্গা থানার ওসি জনাব আবুল কাসেম ভুঁইয়ার সহযোগীতায় ফারুককে উদ্ধার করে মালিক পক্ষের অভিযোগ বিবেচনা করে ফারুককে তার মা ও বায়েজীদ থানা চালক লীগের নৃত্যবৃন্দের হাতে বুঝিয়ে দেন।
এতে আমাকে বিভিন্ন দিক থেকে যারা সহযোগিতা করেছেন হাজী নুরুজ্জামান ও আমার সাংবাদিক বন্ধুগণ, বিশেষ করে পতেঙ্গা থানার ওসি জনাব আবুল কাসেম ভুঁইয়ারকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং আন্তরিক সহযোগিতা করচ্ছি।
তাদের পরামর্শে আমরা বায়েজিদ থানার চালক লীগের সদস্য ফারুকে উদ্ধার করতে পেরেছি আমি পতেঙা থানার ওসি মহোদয়ের সাফল্য কামনা করছি।
এবং সদরঘাট থানা ও পতেঙ্গা থানার সকল পুৃলিশ  কে চট্রগ্রাম মহানগর চালকলীগের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *