যে গাঙ্গের নাম শুনলে নাঙ্গলকোটে মানুষ আতঁকে উঠে

 

মো: আব্দুর রহিম বাবলু,নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি :- যে গাঙ্গটির নাম শুনলে নাঙ্গলকোটের মানুষ আতঁকে উঠে,তার নাম সাতবাড়িয়াস্থ ডাকাতিয়া গাঙ্গ। স্থানীয় ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, গাংটির উপর দিয়ে বয়ে গেছে একটি ব্রীজ। ব্রীজটি দিয়ে সাতবাড়িয়া থেকে গুনবতী পর্যন্ত লাখ লাখ মানুষ যাতায়াত করে আসছে। হঠাৎ একদিন এটি ধ্বসে পড়লো, দুই পাড়ের মানুষ পড়লো মহাবিপদে। ওই এলাকার ভুক্তভোগীদের কাছে ব্রীজ কিংবা গাংগটি এখন মরনফাঁদ মনে হচ্ছে। কেননা গাংগটিতে পারাপার হতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটনা ঘটছে। পঙ্গু হচ্ছে সাধারণ মানুষ।জানা গেছে, ১ লা মে শ্রমিক দিবসের দিনই ৩টি ঘটনা ঘটে এখানে। প্রথমে মোটরসাইকেল নৌকা থেকে পড়ে গেছে। নেীকার যাত্রী ( মোটরসাইকেলের মালিক) মোটরসাইকেলকে নিয়ন্ত্রন করতেনিজেই নৌকা থেকে পড়ে যায়। ৫০ ফুটের এর বেশি গভীরতা থাকায় স্থানীয় ডুবুরি মাধ্যমে মানুষ ও মোটর সাইকেল উদ্ধার করে। এই সময় ঘটনায় আহত হন ১. শহীদুল ইসলাম কামরুল,পিতা-তাজুল ইসলাম,গ্রাম-কোকালী। ২. নাজির আহমেদ,পিতা- মৃত জয়নাল আবেদীন,গ্রাম- কোকালী। ৩.সাইফুল ইসলাম,পিতা-মফিজুর রহমান, গ্রাম-কোকালী। ঘটনাশুনে তাৎক্ষণিক উপস্থিত হন সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইয়াছিন মিয়া ও সৌদিপ্রবাসী সাতবাড়িয়ার শাহীন। এই ঘটনার ঘন্টাখানেকের মধ্যে ঘটে আরেকটি দূর্ঘটনা। একটি নৌকা গাংয়ের মাঝামাঝি পৌছলে ¯্রােতের টানে নৌকাটি কাত হয়ে যাত্রীরা পড়ে যায়, এতে ১ জন গাঙ্গের পানিতে ভেসে যায়। পরে তাকে মূর্মূষ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। গুরুত্বর আহত এ যাত্রীকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এর ২ঘন্টা পর ভারী টলি নিয়ে নৌকাপারাপার হতে আসছিল ৪ জন লোক। বেখেয়ালে নৌকায় উঠার পূর্বেই গর্তে পড়ে পিছলা হয়ে পড়ে যায়। এতে ছিরাই আনা গাছের কাঠসহ টলি গাঙ্গে পড়ে অন্য যাত্রীদেরও দূর্ভোগ সৃষ্টি করে। একদিনে ৩টি ঘটনায় সাতবাড়িয়াসহ আশেপাশে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসীর অভিযোগ- ব্রীজটি ভাঙ্গার পর অনিয়মিতভাবেই কাজ চলছে।তবে আশা করা যায় অতিদ্রুতই কাজ সম্পূর্ণ হবে জানা যায়। তবে ব্রীজ দিয়ে যাতায়াতকৃত লাখ লাখ যাত্রীরা পারাপার হতে ব্রীজের পাশে আতংকিত গাংগটি দিয়েই নৌকা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। ৫ টাকার নৌকা ভাড়া ৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছে বলে ও অভিযোগ করেন এই প্রতিবেদককে অনেকে। ব্রীজ নির্মাণ, ভাড়া বেশি আদায় সম্পর্কে ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াছিন মিয়াকে বারবার কল করেও কোনরুপ প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *