অস্বাভাবিক দম্পত্তির মধুর গল্প

” এটি একটি বাস্তব গল্প “

মেয়েটির নাম অর্পিতা । বয়স ২৫ বছর।

ছেলেটার নাম অর্পণ । বয়স ২৬ বছর।

 

ছেলেটির দুটি হাত নেই এবং

মেয়েটির দুটি পা পঙ্গু।

 

অর্পিতা রান্নাঘরের যাবতীয় কাজ করে।

অর্পণ তার পা দিয়ে অর্পিতার  চুল বেঁধে দেয়।

আবার অর্পিতা অর্পণের  চুল ধুয়ে দেয়।

তারা একসাথে সঙ্গীত চর্চাও করে।

একে অপরকে ছাড়া কখনও কিছু খায় না তারা।

অর্পণ অর্পিতার জন্য কবিতা লিখতে পারে না কিন্তু ঠিকই সে কবিতা আবৃত্তি করে শোনায়।

অর্পিতা  মুগ্ধ নয়নে সেই কবিতা শোনে।

তারা দুজনই জীবনকে উপভোগ করে।

তারা শুধুমাত্র একে অপরের সাহায্যকারীই নয় তারা কিন্তু পরস্পরের জীবন সঙ্গীও বটে।

বেশ কিছুদিন হল তারা বিয়ে করেছে।

তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তারা নেশাগ্রস্থদের জন্য একটি পুনর্বাসন কেন্দ্র খুলবে, যেখানে সঙ্গীতও শেখানো হবে।

 

আমরা অনেকেই হয়তো বা মুখে অনেক বড় বড় ভালবাসার কথা বলি কিন্তু ভালবাসার দায়িত্বটুকু পালন করতে পারি না।

অনেক স্বামী স্ত্রীই একসাথে থাকতেই হিমশিম খায়।

 

অর্পণ  এবং অর্পিতাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় যে,

তাদের এই শারীরিক অপূর্নতা কি কখনোই তাদের জীবনে কখনো হতাশা বয়ে আনে না?

উত্তরে তারা নির্মল হাসি দিয়ে বলে,

“ জীবন হয়তো বা আমাদেরকে কান্না করার ১০টি কারন দেখায় কিন্তু আমরাও জীবনকে উপভোগ করার ১০০টি কারন দেখাই ”

 

আপনাদের কাছে এটা একটা কাল্পনিক রূপকথার গল্পের মনে হতে পারে কিন্তু এটি একটি বাস্তব ঘটনা।

ছবিতে- অর্পণ এবং অর্পিতার একটি সুন্দর মুহুর্ত।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *