নিজস্ব প্রতিবেদক :
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে পুলিশে চাকরি দেয়ার কথা বলে ৪ লাখ চাঁদা দাবীর অভিযোগ উঠেছে। সদ্য বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে নিয়োগ নিয়ে মুছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মাছুম খান মাখনের বিরুদ্ধে উপজেলার বামনী কলেজের ছাত্র আমজাদ হোসেনের কাছ থেকে ৪লাখ টাকা ঘুষ দাবী করে বলে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
চাকুরি প্রার্থী আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের অভিযোগ করে জানান, গত ১১এপ্রিল সে মঙ্গলবার নোয়াখালীর মাইজদিতে পুলিশে চাকুরির জন্য লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। লিখিত পরীক্ষায় সিলেক্ট হওয়ার পর ১৫এপ্রিল শনিবার মৌখিক পরীক্ষা নির্বাচিত হয়। কিন্তু আমজাদ হোসেনের পুলিশ ভেরিফিকেশন কোম্পানীগঞ্জ থানায় আসলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মাখন কয়েক দফা তাকে ফোন করে চাঁদা দাবী করে। দাবীকৃত ৪লাখ টাকা না দেয়ায় স্থানীয় কয়েকজন নেতাসহ আমজাদের বিরুদ্ধে জামাত-শিবিরের কর্মি উল্লেখ করে পুলিশের কাছে নানা রকম মিথ্যা অভিযোগ করে। যার প্রেক্ষিতে চাঁদার টাকা না দেয়ার কারনে ভেরিফিকশনের পর কনস্টেবল পদে নির্বাচিত প্রকাশিত মূল লিস্ট থেকে আমজাদ হোসেনের নাম বাদ পড়ে যায়। তিনি অারো এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
চাঁদা দাবীর অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মাছুম খান মাখনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এমন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। আমজাদের কাছ থেকে আমি কোন টাকা পয়সা চাইনি।
উল্লেখ্য, চাকুরী প্রত্যাশী আমাজাদ হোসেন ২০১৫ সালে নাছের উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগ শাখার তৎকালীন সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।