মোজাম্মেল আলম ভূঁইয়া- সুনামগঞ্জ :
সুনামগঞ্জে পৃথক অভিযান চালিয়ে ধর্ষন ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ১০জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও র্যাব। উদ্ধার করা হয়েছে ধারালো ছুরি, রড, মোবাইল ও নগদ টাকা।
শুক্রবার (১ অক্টোবর) দুপুরে পৃথক ভাবে তাদেরকে কারাঘারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলো- জেলার ছাতক উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের
মঈনপুর গ্রামের মৃত মোক্তার আলীর ছেলে ধর্ষক আলী নুর (৩০) ও জামালগঞ্জ উপজেলার
সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা চাঁদাবাজ সিন্ডিকেডের সদস্য এমদাদুল হক আফেন্দি
(৫৮), কাউছার আহমদ (৩৫), জয়নুল হক (৪০), বাদশা মিয়া (৩২), আবুল হোসেন
(৫২), নেছার আহমদ (৩০), মাহি আফেন্দি (২০), আব্দুনুর মিয়া (৬২) ও মানিক
মিয়া (৬৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্রে জানা গেছে- গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্ভর) ভোরে জেলার
জামালগঞ্জ উপজেলার সুরমা নদীতে বালি ও পাথর পরিবহণকারী ইঞ্জিন চালিতো
স্টিলবডি নৌকা ও কার্গো থেকে ২টি নৌকা দিয়ে চাঁদা উত্তোলনের সময় র্যাব
অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজ সিন্ডিকেডের ৯জন সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেফতার
করে।
পরে তাদের সাথে থাকা ১টি ধারালো ছুরি, ৮টি লোহার রড ও ৯টি
মোবাইলসহ নগদ ২হাজার ২৩০টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত চাঁদাবাজরা
দীর্ঘদিন যাবত নদীতে ওপেন চাঁদাবাজি করছিল। চাঁদাবাজদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে
রাতেই থানায় হস্তান্তর করা হয়।
অপরদিকে গতকাল বিকেলে ছাতক উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের মঈনপুর
গ্রামের বাসিন্দা ও দুবাই প্রবাসীর স্ত্রীকে তার নিজ বসতবাড়িতে একা পেয়ে
জোরপূর্বক ধর্ষন করে একই গ্রামে বাসিন্দা লম্পট আলী নুর। পরে এঘটনাটি
থানায় জানালে পুলিশ ধর্ষক আলী নুরকে গ্রেফতার করে এবং ধর্ষিতাকে ঘটনাস্থল
থেকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে
ভর্তি করা হয়।
র্যাব ৯ এর সুনামগঞ্জ ক্যাম্প কমান্ডার লেঃ কর্ণেল সিঞ্চন আহমেদ ও ছাতক থানার
ওসি নাজিম উদ্দিন পৃথক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান,
গ্রেফতারকৃত ধর্ষনকারী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে থানায় পৃথক মামলা দায়ের করে
তাদেরকে কারাঘারে পাঠানো হয়েছে।