Main Menu

বামনডাঙ্গা শতবর্ষী গাছ কর্তন করে ২০ লাখ টাকা আত্নসাত : প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা

শেখ মোঃ সাইফুল ইসলাম :
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনের শতবর্ষী কয়েকটি গাছ কর্তন করে ২০ লাখ টাকা আত্নসাত করেছে মর্মে বামনডাঙ্গা রেল স্টেশনের আই.ও.ডব্লিউ অফিসে কর্মরত উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে।
বিজ্ঞ আমলী আদালত সুন্দরগঞ্জ,গাইবান্ধায় গত ১৬ জুন এ মামলা দায়ের করেন বামনডাঙ্গার স্থায়ী বাসিন্দা জয়নাল আবেদিন।

যাহার মামলা নং সি,আর ২৩১/২১।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বামনডাঙ্গা রেল স্টেশনের প্লাটফর্ম সংস্কার কাজের জন্য এক কোটি ৪৩ লাখ ৬৮ হাজার ও মুসাফির খানা তথা ওয়েটিং হল নির্মাণে ৩৪ লাখ টাকাসহ মোট এক কোটি ৭৬ লাখ ৬৮ হাজার টাকা ব্যয়ে চলমান কাজের দেখা শুনা ও তত্বাবধানে দুর্নীতি ও অনিয়ম করলে স্থানীয় জনগণ প্রতিবাদ করা সত্বেও উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর সহযোগিতায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে শতবর্ষী কয়েকটি গাছ কর্তন করেন।

গত ১ জুন/২০২১ থেকে ৬ জুন পর্যন্ত বামনডাঙ্গা প্লাটফর্ম ও আশপাশের কয়েকটি বড় গাছ কর্তন করেন তিনি। রেলওয়ে মন্ত্রণালয় ও বন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া দায়িত্বে অবহেলা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে গাছগুলো কর্তন করে বিক্রয়লদ্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে বা রেলওয়ে বিভাগের কোষাগারে জমা না দিয়ে ১৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা আত্নসাত করেন।

বাদি জয়নাল আবেদিন একজন সুনাগরিক হিসেবে দায়িত্ববোধ থেকে গত ৩ জুন লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে অবগত করার পরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্ণিত গাছের বিবরণ হচ্ছে স্টেশনের পিছনে বাদির দোকানের দক্ষিন পাশে একটি ৩০০ সিএফ,টির শিমুল গাছ, যার মূল্য ৩ লাখ টাকা। একটি কাঠাল গাছ ৪০ সিএফ,টি যার মূল্য ৬০ হাজার টাকা। স্টেশনের দক্ষিন পাশে একটি রেইন্ট্রি গাছের ৪৬৬ সিএফ,টির ৪ টি প্রধান শাখা ডাল, যার মূল্য ৬ লাখ ৯৯ হাজার টাকা।

বাদির দোকানের পূর্ব পাশে দুইটি বড় রেইন্ট্রি গাছের ৩০ সিএফ,টির দুইটি প্রধান শাখা ডাল, যার মূল্য ৩ লাখ টাকা। একটি বড় আম গাছ, যার মূল্য ২ লাখ টাকা এবং একটি শিমুল গাছ, যার মূল্য ৪ লাখ টাকাসহ মোট ১৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা উপসহকারী প্রকৌশলী আত্নসাত করেন। এ মামলায় উপসহকারী প্রকৌশলী রাজ্জাকসহ ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এরা হলেন বামনডাঙ্গা রেল স্টেশন সংলগ্ন শরীফ খানের ছেলে কাঠ ব্যবসায়ি আশিক খান, রেলওয়ের খালাশী সাইফুল ও সাখায়োত হোসেন। মামলা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দর রাজ্জাকের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুনঃ





Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *