কুমিল্লা :
মনোহরগঞ্জের আলোচিত বাতেন হত্যার আসামী শহিদের তাণ্ডবে অতিষ্ট হয়ে গেছে এলাকাবাসী। ২০১৭ সালের পহেলা এপ্রিল নিরিহ বাতেনকে দিন দুপুরে হত্যা করে শহিদুল ইসলাম শরিফ।পরবর্তিতে সেই হত্যা মামলার আপোষ মিমাংসা হয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে জেল থেকে ছাড়িয়ে আনে তারপরিবার ও বড় ভাই মনোহরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেন।
পরবর্তিতে সে এলাকায় এসে আবারো তাসের রাজত্ব কায়েমে উদ্যোমী হয়ে উঠে।
ইতিমধ্যে সে বিভিন্ন শালিস দরবারে টাকা পয়সা,বিভিন্ন নারীদের উপর হামলা,নিরীহ মানুষের জায়গা দখল সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়েছে।
গতকাল রাত আনুমানিক ১০টার দিকে হটাৎ গ্রামের দক্ষিন পাড়া দিয়ে তার চাচাতো ভাই শামসুল আলম হেঁটে আসার সময় সে আলামকে উদ্দেশ্য করে পিছন থেকে চাপাতি,চাইনিজ কুড়াল ও জয়েন্ট পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে।
এইসময় আলাম মাটিতে পড়ে গেলে আশ পাশের মানুষ এসে তাকে প্রথমে লাকসাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে ডাক্তাররা তার অবস্থা গুরুতর দেখে কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ও পরবর্তিতে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়।বর্তমানে তার অবস্থা খুবি আশংকাজনক বলে কর্তব্যরত ডাক্তার জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায় উক্ত ঘটনায় শহিদের সঙ্গি হিসেবে উপস্থিত ছিলো বর্তমান ওয়ার্ড মেম্বার মজিবুল হক গ্রুপের সদস্য সেলিম,আরিফ,আকরাম,শাহরিয়ার সহ আরো বেশ কয়েকজন বখাটে যুবক।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় বিএনপি নেতা জলিলের ঘরে শহিদ ও তার সহযোগীরা ওত পেতে থাকে। এরা আলমকে রাস্তায় একা পেয়ে ওতর্কিত হামলা চালায়।
উল্লেখ্য আহত আলাম উক্ত ওয়ার্ডে মেম্বার পদপ্রার্থী বলে জানা যায়।
এই নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষরা আতংকিত হয়ে আছে। তারা অভিযুক্ত শহিদের হাত থেকে গ্রামের মানুষকে নিরাপদ রাখার জন্য অতিশিগ্রই গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার আহবান জানায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী বলেন সরকার দল ক্ষমতায় থাকায় ও তার ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ায় এলাকায় তার দাপটে অতিষ্ট গ্রামবাসী।এর পুর্বে সে দিন দুপুরে হত্যা করেও পার পেয়ে গিয়েছিল তাই তার সাহস দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে।