মোঃস্বাপন মজুমদার, বাহারাইন :
বাহারাইন বাংদেশের দূতাবাস নিয়ে কিছু কথা
অথীতে অনেকে অনেক কিছু ভাবছেন দুতাবাসের হালচাল নিয়ে এখন তা আর নয়।
আমি বাহারাইন এর ১২ বৎসরের অভিঙ্গতা থেকে বলছি।
আগে বাংলাদেশি ভাইগন শুধু হয়রানি আর হয়রানি এখন ইনশাআল্লাহ আমরা দুটি মহৎ মানুষের মাধ্যমে কিছুটা হলেও স্বস্থির নিশ্বাস ফেলতে পারব।
আগে দুতাবাসে গেলে দেখা যেত বিভিন্ন ধরনের রমরমা ব্যাবসা চলছে এখন দেখা যায় সবি পরিস্কার।
আমাদের বাংলাদেশের দুটি মুখ একজন হলেন বাহারাইন বাংলাদেশ দূতাবাসের মাননীয় এম্বাসেডর- অপর জন হলেন সিলেট জেলার গৌরব বাহরাইন দূতাবাসের চিফ ইনফরমেশন অফিসার জনাব তাজ উদ্দীন ভাই।
আমাদের বাংলাদেশের মানুষকে,যারা নাকি একে অপরের ক্ষতির প্রতি লেগে থাকে,যাদের মধ্যে কোনো মানবতা নেই,সহানুভূতি নেই,যারা যা করবে নিজেদের সাথর্কতার জন্য করবে।অন্য দেশের ব্যাপারে জানি না,তবে এই দেশের প্রতিটি মানুষ জানে আমাদের ব্যাপারে আমরা কেমন,বলতে পারবো না তবে
(বুঝে নিবেন)।আমাদের এই অবস্থা না জানি দেশকে নিয়ে কি ভাবছে মানুষ।
আশা ছিলো নিজের জীবন দিয়ে হলো দেশের সম্মান রক্ষা করবো।কতটুকু পারবো জানি না।তবে
এই সম্মানিত লোক গুলো কে দেখেন, যাদের মধ্যে দিন,রাত কিছু নেই। যখনি কোথাও কারো সমস্যা, বিপদ বা যে কোনো কিছু ঠিক তখনি আপনার পাশে পাবেন এই লোকটি কে। যা বাংলার অহংকার গর্ভ।আমার পক্ষ থেকে না পুরো দেশের মানুষের হয়ে বলতেছি আপনারা দেশের গৌরব।
বিশেষ করে যখনি যেখানে বাংলাদেশি ভাইদের সমস্যা সেখানেই জনাব তাজ উদ্দিন ভাই হাজির।
বাংলাদেশী ভাইদের কিছুটা হলেও আশার সন্চার ঘঠছে।
এখন আর অযথা হয়রানি না হয়ে সরাসরি দূতাবাসে যান -যে কোন প্রয়োজনে দুতাবাসে অবহিত করুন–
আর নয় দালালী–বাটফারী–আদম ব্যাবসা।
প্রবাসী অনেক ভাইগন এখনও আগের বুলি গায়।
আমি বলব অযথা কথা বলাবলি না করে কোন কাজের জন্য একবার হলেও যান। সমাধান পাবেন।
ওরা যা করতেছে এখন আমাদের মঙ্গলের জন্য।
হাজার হাজার বাংলাদেশি ভাইগনের ভিসা নেই -কাজ নেই- বেতন পাচ্ছেন না কত ধরনের সমস্যা শুধু চোখের পানি ফেলতেছে লাখ লাখ টাকা খরছ করে এসে
আমরা আশাবাদী ওদের মাধ্যমে আস্তে আস্তে চোখের পানি শুকিয়ে একসময় হাসি ফুটবে ইনশাআল্লাহ।
আপনারা কেহ কোন কিছু ভাববেন না আমি ওদের কিছুনা যা সত্য তা বলতে দ্বীধা করতে নেই।
আমাদের করনীয় হল ওদের কে ন্যায়ের পক্ষে কাজ করতে উৎসাহ ও সহযোগিতা করা।
বাহারাইন বাংলাদেশ দূতাবাস নিয়ে কিছু কথা