Main Menu

পরশুরামে অতিরিক্ত মদ্যপাণে যুবকের মৃত্যু | বাংলার দর্পন

ফেনী’ প্রতিনিধি:
ফেনীর পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নে বটতলী বাজারে অতিরিক্ত মদ্যপাণে সাদ্দাম হোসেন (৩০) নামের এক জনের মুত্যু হয়েছে। সোমবার রাত ২টার দিকে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক জানান অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ্য হয়ে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। তার অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সে মির্জানগর ইউনিয়নের উত্তর কাউতলী গ্রামের বৈদ্যবাড়ীর মির হোসেনের মেয়ের জামাই। গত তিন আগে শশুর বাড়ীতে বেড়াতে এসে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাদের সাথে বিরানী রান্না করে আনন্দ উল্লাস করেছে। এসময় সাদ্দাম হোসেন অতিরিক্ত মদ্যপান করে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। নিহত যুবকের বাড়ী কুমিল্লা জেলার লাঙ্গলকোট উপজেলার আলি আহাম্মদের ছেলে।

স্থানীয়রা জানান সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে ওই যুবককে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাবার পরামর্শ দেন। তার অবস্থা আশংকা জনক হওয়া তাকে দ্রæত ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুত্যু বরণ করেন।

মির্জানগর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মহি উদ্দিন ছুট্টেুা জানান স্থানীয় মির্জানগর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহাগ এর নেতৃত্বে ছাত্রলীগ নেতা মো: ইসমাইল,শাহপরান,পারভেজ, মেতালেবসহ ২৫ অক্টোবর গভীর রাতে বটতলী বাজারের নবীর দোকানে গভীর রাতে বিরানী রান্না করে আনন্দ উৎসব করে। তাদের সাথে সাদ্দাম হোসেনও ছিল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাশ্ববর্তী এক বাসিন্দা জানান ওই সময় তারা আনন্দ উৎসব করে এবং মদ্যপান করে নাচানাচি করে। অতিরিক্ত মদ্যপানে জামাতা সাদ্দাম হোসেন অসুস্থ্য হয়ে পড়লে পরদিন সোমবার সকালে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
অপর অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ এর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও পাওয়া যায়নি। পুলিশ মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে সোহাগ সহ সকলে আত্বগোপনে চলে যায়।

পরশুরাম মডেল থানার এসআই মোতাহের হোসেন জানান নিহত সাদ্দাম হোসেনের পরিবারের মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে লাঙ্গলকোর্ট থানা পুলিশ তথ্য চেয়ে পরশুরাম থানায় বার্তা দেয়। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে ঘটনার দিন রাতে তারা বেশ কয়েকজন বিরানী রান্না করে এবং মদ্যপান করে।

সাদ্দাম হোসেন অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ্য হয়ে শশুরবাড়ীতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে এবং সকালে ঘুম থেকে না উঠায় জাগানোর চেষ্টা করলে সাদ্দাম হোসেন বমি করতে থাকে পরিবারের সদস্যরা তাকে পরশুরাম উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। মোতাহের জানান এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *