প্রতিবেদকঃ
শনিবার সকাল অনুমান সোয়া ৮ ঘটিকার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে চলে ভয়াবহ ঘুর্নিঝড়।।
সকালে ঘুর্নিঝড় চলাকালীন সময়ে নারী পুরুষ অার শিশুদের চিৎকারে ভারী হয়ে উঠে অাকাশ বাতাস। এ সময় অাকশের দিকে তাকিয়ে দেখা গেছে সমস্ত অাকাশে চিলের ও ঘুড়ির মত উড়ছে গাছের ডাল, ঘরের চালের টিন, কাপড় সহ অারো অনেক ভারী জিনিসপত্র।অাকাশে বাতাসের সাথে বয়ে চলেছে অাগুনের ফুলকি।
এ দৃশ্য দেখে মানুষের মাঝে চলে কান্নার রোল। নাসিরনগর ডাকবাংলোর নিকট নদীতে ভেঙ্গে ফেলেছে অনেক নৌকা। ভেঙ্গে ফেলেছে বিল্ডিং ঘরের চাল,অনেক বড় বড় গাছপালা, মন্দির,ঘর দরজা,কামার। ঘুর্নিঝড়ের কবলে পড়ে অাহত হয়েছে বেশ কয়েকজন মানুষ। ঘুর্নিঝড়ের কবলে পড়ে অাহত হওয়া অাশুরাইল গ্রামের পোষ্ট অফিস কর্মচারী সোহেল অাহমেদ কে ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। অাশুরাইল গ্রামের রাজা বাড়ির লিটনের ছেলে মহরম অালী (৮) নাসিরনগর হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ঘুর্নিঝড়ে সবচেয়ে বেশী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে নাসিরনগর সদর ইউনিয়ের পশ্চিমপাড়া, বুড়িশ্বর ইউনিয়নের অাশুরাইল,বেণীপাড়া,ইছাপুর,শ্রীঘর,পূবর্ভাগ ইউনিয়নের শ্যামপুর,গোর্কন ইউনিয়নের চৈয়ারকুড়ি ফান্দাউক ইউনিয়নের অাতুকোড়া,গোয়াল নগর ইউনিয়নের রামপুর সহ অারো অনেক এলাকাএ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘুর্নিঝড়ের সঠিক পরিসংখ্যান বের করতে পারেনি উপজেলা প্রশাসন।
ঘুর্নি ঝড়ে নাসিরনগর উপজেলা কি পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে জানতে চেয়ে নাসিরনগর উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলামকে একাধিক বার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। বাংলারদর্পন