Main Menu

নওগাঁর স্কুল ছাত্রী অপহরণের এক মাস পর উদ্ধার ॥ গ্রেপ্তার ৩

এ বাসার(চঞ্চল) নওগাঁ প্রতিনিধি: প্রকাশ- ১৬ নভেম্বর১৬ ।

নওগাঁর রাণীনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর স্কুল পড়–য়া ছাত্রী সুমাইয়া খাতুন (১৪) অপহরণের এক মাস পর নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলা থেকে উদ্ধার করেছে রাণীনগর থানাপুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের তথ্যের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই মামুনুর রশিদ প্রয়োজনীয় ফোর্স নিয়ে বুধবার গভীর রাতে নলডাঙ্গা থানার হলুদাকলসি গ্রাম থেকে অপহিৃতা সুমাইয়াকে উদ্ধার করে সকালে ডাক্তরী পরীক্ষা ও বয়স নির্ধারনের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের প্রবাসী শহিদুল ইসলামের স্কুল পড়–য়া মেয়ে সুমাইয়া ঘোষগ্রাম কফিলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশুনা চলাকালিন সময়ে মালঞ্চি গ্রামের করিম সরদারের ছেলে সুমন (২৩) বেশকিছু দিন ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার সময় প্রায়ই নানান ভুঙ্গিমায় এমনকি পদরোধ করে উত্ত্যক্ত করতো। পারিবারিক ভাবে বিভিন্ন সময় বহু বার তাকে নিষেধ করলে সে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে অপহরণের হুমকি দিতে থাকে। তার হুমকির ভয়ে সুমাইয়ার নিরাপত্তা ও লেখা-পড়ার স্বার্থে পারিবারিক সিদ্ধান্তে তার চাচাতো ভাইয়ের বাসায় রাণীনগর সদরে রেখে স্থাণীয় বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দেয়। সব ঠিকঠাক ভাবে চললেও স্কুল ছুটির কারণে বাবার বাড়ি কৃষ্ণপুর বেড়াতে গেলে গত ১৪ অক্টোবর বিকেলে সুমাইয়া রাণীনগর সদরে তার চাচাত ভাই এর বাসায় আসার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে নান্দাইবাড়ি পাকা রাস্তা নামক স্থানে পৌছা মাত্রই পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক সুমন তার দলবল নিয়ে সুমাইয়াকে জোরপূর্বক অপরহরণ করে সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য সকল জায়গায় অনেক খোজাখুজি করে তার কোন সন্ধান না পাওয়ায় ঘটনার চার দিন পর সুমাইয়ার চাচা কফিল উদ্দিন বাদি হয়ে রাণীনগর থানায় অপহরণের মূলহোতা সুমন সহ চার জনকে আসামী করে গত ১৮ অক্টোবর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করলে পুলিশ ওই দিন রাতেই সুমনের সহযোগী মালঞ্চি গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে জয়নালকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যমতে মূলহোতা সুমন ও তার বাবা করিমকে গ্রেপ্তার করলে তাদের দেওয়া ঠিকানা মত বুধবার গভীর রাতে নলডাঙ্গা থানার হলুদাকলসি গ্রামের আবুল হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপহিৃতা সুমাইয়াকে উদ্ধার করে সকালে ডাক্তরী পরীক্ষা ও বয়স নির্ধারনের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা রাণীনগর থানার এসআই মামুনুর রশিদ জানান, মেয়েটি অপহরণ করার পর থেকেই আসামীরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় আটক করে রাখে। বারবার স্থান পরিবর্তন করার কারণে আমাদের কয়েকটি অভিযানও ব্যর্থ হয়। অপহরণকারির মূলহোতা সুমনকে রিমান্ডে নেওয়ার পরে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মেয়েটির সন্ধান দিলে নাটোর জেলার নলডাঙ্গা থানাপুলিশের সহযোগীতায় হলুদাকলসি গ্রামে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *