ফেনী প্রতিনিধি :
ফেনীর সোনাগাজীতে থানায় মামলা দিতে এসে এক গৃহবধু (২৮) গণধর্ষনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে উপজেলার সোনাপুর গ্রামের আবুল হোসেন রিপনের স্ত্রী। গত ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে সোনাগাজী কলেজ রোডস্থ মাঝি বাড়ীর একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার ২দিন পর বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে চর সাহাভীকারী গ্রামের রহিমা আক্তার সুন্দরী (২৫), চর গনেশ গ্রামের শম্ভু শিকদার (৩৭) ও আফলাছ হোসেন (৪১) সহ আরও ৩ জন অজ্ঞাতনামা উল্লেখ করে মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ধর্ষিত গৃহবধূ।
অভিযোগপত্র ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ১৬ সেপ্টেম্বর ভুমি বিরোধের ঘটনায় থানায় মামলা দিতে আসেন ওই গৃহবধু। এসময় থানার সামনে অবস্থানরত দালাল রহিমা আক্তার সুন্দরী ওই গৃহবধুকে মামলায় সহযোগীতার আশ্বাস দিয়ে কলেজ রোডস্থ মাঝি বাড়ীর একটি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে অজ্ঞান করে পালাক্রমে ধর্ষন করে শম্ভু শিকদার ও তার সহযোগীরা।
পরে আহতাবস্থায় তাকে সোনাগাজী হাসপাতালে ভর্তি করে তারা। এসময় তার স্বর্ণালংকার ও মোবাইল লুটে নেয় রহিমা সুন্দরী। সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ বলেন, ধৃত এজাহার নামীয় রহিমা সুন্দরী ও শম্ভু শিকদারকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ছবিতে – দালাল রহিমা ও ধর্ষক শম্ভু শিকদার।