শেখ আমিনুর হোসেন, সাতক্ষীরা:
তার সাথে পারিবারিক সম্পর্ক গভীর ছিলো। কোনাদিন কোনো বিষয় দ্বিমতও হয়নি। অথচ সেই মানুষ স্ত্রীকে ফেলে চলে যাবে এটা বিশ্বাসযাগ্য নয়।
নিজের স্বামী মাছ ব্যবসায়ী মো. হাসান আলিকে গত ১১ দিন ধরে কোথাও খুঁজে না পেয়ে এ কথা বলেন গৃহবধূ জোছনা বেগম। তিনি বলেন তার ধারনা তার স্বামী কারও প্রতারনার মুখে পড়েছেন। তাকে হয়তো বা গুম করে ফেলা হয়েছে। আমি আমার স্বামীর খোঁজ চাই। বিয়ের পর থেকে হাসানের প্রথম স্ত্রী সাবিনা ও স্বামীর বড় ভাই রহমত আলি।
জোছনা বেগম রবিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে এই আকুতি জানান। তিনি জানান তার সাথে মো. হাসান আলির বিয়ে হয়েছিলো চার বছর আগে। তারও আগে তার আরেক স্ত্রী ছিলো। কিন্তু তার সন্তান না হওযায় জোছনাকে ফের বিয়ে করেন হাসান । তবে দুই স্ত্রী ভিন্ন স্হানে বসবাস করলেও তাদের দু’জনের সাথে স্বামী হাসানের সম্পর্ক ভাল ছিলো। জোছনা বেগম সাতক্ষীরার রসুলপুর মেহেদিবাগের (বকচরা রোড) বাবর আলি গাজির মেয়ে। অপর দিকে হাসান আলি শহরের উত্তর কাটিয়ার দ্বীন আলির ছেলে।
কান্না জড়িত কন্ঠে জোছনা জানান গত ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে বাড়িতে থাকা দুই লাখ টাকা নিয়ে বের হয়ে যান স্বামী হাসান। নতুন ব্যবসায় নামার কথা ছিলো তার। তিনি জানিয়ছিলেন প্যাটের ব্যবসা করবেন তিনি। এরপর থেকে হাসান আলি নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি জানান দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিনার কাছে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করেছি। তার দুটি নম্বর ০১৯৪৭৬২৩৭৫০ এবং ০১৭৮০৪৬৩২৮৯ তে ফোন করা হলে তিনি কোনো জবাব দিচ্ছেন না।
জোছনা জানান তার স্বামী নিখোঁজ হবার দিন সকালে তার এক পাওনাদার আরিজুল মাস্টার ফোন করে টাকা চেয়েছিলেন। তিনি জানান স্বামীর বড় ভাই রহমত আলি, প্রথম স্ত্রী সাবিনা অথবা পাওনাদার আরিজুল তার স্বামীর নিখোঁজের সাথে জড়িত রয়েছে। তারা তাকে গুম করছে এমন অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয় তিনি সাতক্ষীরা থানায় একটি জিডি করেছেন ( নম্বর ৯৪৫ তাং ১৮.০২.১৯)
জোছনা বেগম তার স্বামীর খোঁজ চেয়ে এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানান। এ বিষয়ে তিনি সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।