মো. নাইম তালুকদার, সুনামগঞ্জ :
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সাঁওতাল সম্প্রদায়ের বাকপ্রতিবন্ধী এক তরণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা হলেও পুলিশ ধর্ষণে অভিযুক্ত খাইরুল ইসলামকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে ওই সাঁওতার তরুণী বিশ্বম্ভরপুরে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধায় উপজেলার সীমান্তবর্তী মথুরকান্দি বাজারে যান বাকপ্রতিবন্ধী ওই সাঁওতাল তরুণী। বাজারের কাজ শেষে ফেরার পথে রাত সোয়া ১০টার দিকে কাপনা গ্রামের রইছ উদ্দিনের ছেলে খাইরুল ইসলাম ওই তরুণীকে পাশের আব্দুল মালেকের বাঁশঝাড়ের নীচে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। একপর্যায়ে তরুণীর অাত্মচিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে খাইরুল পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন ও ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার কৃষ্ণ হাজং ধর্ষিতা ওই তরুণীকে রাতেই থানায় নিয়ে যান। বাকপ্রতিবন্ধী ওই তরুণী ধর্ষক হিসেবে খাইরুলের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করলে রাতেই তার বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
ভিকটিমকে পরদিন শুক্রবার সকালে চিকিৎসা ও পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সাওতাল ওই তরণী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে প্রাথমিক আলামতে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এখন তার অন্যান্য ডাক্তারী পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
রবিবার বিশ্বম্ভরপুর থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী অফিসার পবিত্র কুমার সিংহ জানান, অভিযুক্ত ধর্ষককে এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে পুলিশ চেষ্টা করছে তাকে গ্রেফতার করতে।