সৈয়দ আশরাফের জানাজায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিদায়ী শ্রদ্ধা

বাসস : রাষ্ট্রপতি এম আবদুল হামিদ আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় সংসদ কমপ্লেক্সের দক্ষিণ প্লাজায় জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নামাজে জানাজায় অংশ নেন।

রাষ্ট্রপতি বিশিষ্ট রাজনীতিক এবং জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের পুত্র সৈয়দ আশরাফের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা তাঁর মন্ত্রিসভার সহকর্মীর কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এরপর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সংসদ কমপ্লেক্সে পৌঁছার পরপরই রাষ্ট্রপতি মরহুমের পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি জানাজা শেষে মোনাজাত করেন। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রীবর্গ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, শুভাকাক্সক্ষী এবং কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তারা সৈয়দ আশরাফের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ৬৮ বছর বয়৬ জানুয়ারি ২০১৯ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী এবং মন্ত্রিপরিষদ সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কফিনে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণের মাধ্যমে তাঁকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন।

আজ সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এই নেতার প্রথম নামাজে জানাযা শেষে প্রধানমন্ত্রী এই শ্রদ্ধা জানান।

পরে শেখ হাসিনা দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের কফিনে আরেকবার শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করেন।

তিনি সেখানে সৈয়দ আশরাফের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।

বর্তমান রাজনৈতিক অঙ্গনের একজন শ্রদ্ধাভাজন বিনম্র রাজনীতিক, জনপ্রশাসন মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার ব্যাংককের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ কসে বৃহস্পতিবার ব্যাংককের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

অপরদিকে : আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের প্রথম নামাজে জানাজা জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সকালে অনুষ্ঠিত নামাজে জানাজায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সর্বস্তরের নাগরিক, রাজনৈতিক সহকর্মী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দসহ বিপুলসংখ্যক শুভাকাক্সক্ষী ও গুণগ্রাহীগণ শরিক হন।

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের কফিন জাতীয় পতাকা দিয়ে ঢেকে দেয়া হয় এবং নামাজে জানাজা শেষে ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

প্রথমে মরহুমের কফিনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দলের পক্ষে দলীয় নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আরেকবার শ্রদ্ধা জানান।

এরপর জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, ১৪ দলের পক্ষে মুখপাত্র স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এবং জাতীয় পার্টি, জাসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এর আগে মরহুমের কর্মময় জীবন নিয়ে আলোকপাত করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এবং পরিবারের পক্ষে তার ছোট ভাই ড. সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম। এ সময় মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়।

নামাজে জানাজা শেষে তাকে হেলিকপ্টারে কিশোরগঞ্জে নেয়া হয়। মরহুমের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান এবং তৃতীয় নামাজে জানাজা ময়মনসিংহের আঞ্জুমান ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

পাঁচ বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় ব্যাংককের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহে …রাজিউন)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *