কোম্পানীগঞ্জ সংবাদদাতাঃ
বিএনপির ভাঙ্গা হাট জমেনি, জমবেও না। শুধু কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট ও নোয়াখালীতে নয়। সারা দেশেই নৌকার জোয়ার বইছে। দলছুট ও জনবিচ্ছিন্ন নেতারা যতই বিএনপির সাথে হাত মিলিয়ে অপতৎপরতা চালাক কোন লাভ হবে না। তারা তাদের ভাঙ্গা হাট আর জমাতে পারবেনা। কথা গুলো বলেছেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি আজ দুপুর ১টায় সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তাঁর মনোনয়নপত্র জমা শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এ কথা গুলো বলেন।
নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগ সম্পর্কিত ঐক্যজোট ও বিএনপির দাবী বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন এসব অবান্তর দাবী নিয়ে কথা বলার সময় নয়। ঐক্যজোট ও বিএনপির এ দাবীর অর্থ হল তারা নির্বাচন চায় না। তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। এসময় ওবায়দুল কাদের ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, তিনি গতকাল দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে শো-ডাউন করে নির্বাচনী আচরন বিধি লঙ্গন করেছেন। কিন্তু আমি তা করিনি। আমি আমার ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করে এখানে এসেছি। সরকারী কোন কিছুই ব্যবহার করিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, ইনশাআল্লাহ ডিসেম্বরে নৌকা ভাসতে ভাসতে বন্দরে পৌছাবে। তিনি বলেন, বিএনপির মনোনয়ন প্রদান অনুষ্ঠানে তাদের দলীয় মহাসচিবের কান্নাই প্রমান করে তারা জনবিচ্ছিন্ন। তাদের জনপ্রিয়তা শূন্যের কোঠায়।
ওবায়দুল কাদেরের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন, ফেনী জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারী, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, নোয়াখালী জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি মো: সাহাব উদ্দিন, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হক নাজিম, উপজেলা আ’লীগ সভাপতি খিজির হায়াত খান, সাধারণ সম্পাদক নূর নবী চৌধুরী, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল ও স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদের সদস্য ফখরুল ইসলাম রাহাত প্রমুখ।