আবদুল্লাহ রিয়েল নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার চন্ডীপুর ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশ অমান্য করে আদালতে মামলা স্থান্তরিত করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তারই নির্দেশে আজ সকালে ৮/১০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রশ¯্র নিয়ে মাছিমপুর গ্রামের মুকবুল হোসেনের ফসলি জমির শাকসবজি লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়।
সূত্রে জানা যায়, মাছিমপুর গ্রামের বৈরাগী বাড়ির সামছুল হকের ছেলে মুকবুল হোসেন একই গ্রামের পরেশ চন্দ্র পালের নিকট থেকে ২১/৫/১৯৯৮ সালে মাছিমপুর মৌজার ৬৩৬ খতিয়নভুক্ত ৪১৬৮,৪১১১ নং দাগে ২৭ শত্যাংশ সম্পত্তি ক্রয় করে ভোগদখল করে আসছে এর কয়েকবছর পর একই গ্রামের মন্দার বাড়ির মাখন লালের ছেলে দিলীপ পাল ২৬/১১/১৯৯৮ সালের একটি দলিল উপস্থাপন করে উক্ত সম্পত্তি তার দাবী করে দখলের চেষ্টা করে । এ নিয়ে তৎকালিন চেয়ারম্যানের আদালতে একটি মামলা হলে চেয়ারম্যান বিষয়টি মীমাংসা করে একটি রায় দেন। উক্ত রায় অমান্য করে দিলীপ বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে মুকবুলকে হয়রানির চেষ্টা চালিয়ে আসছে এবং বর্তমান চেয়ারম্যান কামাল হেসেনের নিকট একটি মামলা করে। চেয়ারম্যানের নিকটস্থ লোকদের হুমকী দমকীতে মুকবুল হোসেন ভয়ে উক্ত মামলা ৭দিন পূর্বে ইপিআরের মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর আদালতে স্থান্তরিত করে। এতে ক্ষিপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশে সাবেক ইউপি সদস্য মাসুদের নেতৃত্বে ৮/১০ একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই জমির করলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির শাকসবজি লুটপাট ও তছনছ করে চলে যায়।
মুকবুল হোসেন জানান, চেয়ারম্যান আদালতে মামলা করার পর দিলীপ ও তার লোকজন আমাকে উক্ত সম্পত্তি ছেড়ে দেওয়ার জন্য হুমকী দমকী দেয়, চেয়ারম্যানের নিকট লেগে তিনি আমার স্বাক্ষাৎ নিতেও রাজি হয় না। তাই উপায়ন্ত না পেয়ে লক্ষ্মীপুর আদালতে ইপিআরের মাধ্যমে স্থান্তরিত করি। গত রবিবার আদালত থেকে মামলাটি স্থগিত রাখার নোটিশ আসলে, চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজন দিয়ে আমার সকল শাকসবজি লুটপাট করে নেয়, বাধা দিতে গেলে আমার স্ত্রীকে অস্র ভয দেখায় এবং আমার সম্পত্তি দখল করে মাটি কেটে নেওয়ার কথাও বলে।
দিলীপ জানান, মুকবুল আমাকে সম্পত্তিটি ক্রয় করে দিবে বলে স্টাম্প হয় । পরে আমি পরেশ চন্দ্র পালের নিকট থেকে জায়গাটি ক্রয় করি। আমি চেয়ারম্যান অফিসে মামলা করলে , সে চেয়ারম্যান মেম্বাদেরকে অমান্য করে আদালতে যায়।ফসল লুটের বিষযটি সত্য নয়।
চেয়ারম্যান কামাল হোসেন জানান,আমি বিষয়টি মীমাংসা করা চেষ্টা করছি, আদালত থেকে একটি নোটিশ এসে আমার মুখ বন্ধ করে দিয়েছে। এখন বিষযটি আদালত, পুলিশ, সাংবাদিকরা দেখুক আমার কিছু করার নাই।
রামগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ তোতা মিয়া জানান, এ ব্যাপারে কেউ থানায় কোন অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
রামগঞ্জে চন্ডীপুর ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে কৃষকের ফসল লুট