চিকিৎসাক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ

ডেস্কঃ

পুষ্টি, প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা ও স্বাস্থ্য—এই তিন খাতে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন দৃশ্যমান। স্বাস্থ্যখাত এ সরকারের সাফল্যে আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি লাভ করেছে।ম্যালেরিয়া নির্মূল, ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, হৃদরোগ, নারীদের ক্যান্সার প্রতিরোধের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার ক্ষেত্রে সরকারের গৃহীত কর্মসূচি প্রশংসনীয়।

দেশে বর্তমানে গড়ে উঠছে উন্নতমানের চিকিৎসাকেন্দ্র , উন্নতিকরণ হচ্ছে বর্তমান চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো। বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার প্রায় সকল ধরনের সমস্যার সমাধান করে দেশের উন্নতিতে কাজ করে যাচ্ছে। এ সরকার চিকিৎসা খাতেও ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছেন। বাংলাদেশের প্রায় সকল হাসপাতালকে আধুনিক করে, আড়াইশ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালকে পাঁচশ এবং পাঁচশ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালকে এক হাজার শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করেছেন। বেড়েছে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু। ২০০৫-২০০৬ সাল শেষে গড় আয়ু ছিল ৬৫ বছর যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ বছরে। এক-তৃতীয়াংশ’ কমেছে ডায়রিয়ায় শিশুমৃত্যু। এক গবেষণায় দেখা গেছে বাংলাদেশ চিকিৎসা সেবায় ভারত থেকেও এগিয়ে বিশ্ব র্যাংকিং এর দিক থেকে।

আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবির গবেষণা এবং ডায়রিয়া ও কলেরার মতো মহামারি রোগের প্রতিষেধক আবিষ্কার, ব্র্যাক, প্রশিকাসহ অন্যান্য এনজিওদের স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মসূচি, বাংলাদেশ সরকারের পরিবার-পরিকল্পনা অধিদপ্তরের সাফল্য, ছয়টি প্রাণঘাতী মহামারী রোগের (যক্ষ্মা, পোলিও, ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টংকার, হুপিং কাশি, হাম) প্রতিরোধে সফল টিকাদান কর্মসূচি, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্প বাংলাদেশের অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।এছাড়াও সরকার বিনামূল্যে এই ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চিকিৎসকদের শুধু শহরে না থেকে প্রত্যান্ত অঞ্চলে গিয়ে সাধারন মানুষের চিকিৎসাসেবা দেয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও বাংলাদেশে এখন বিশ্বমানের ওষুধ তৈরী হচ্ছে।দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো এখন বিশ্বমানের ওষুধ উৎপাদন করছে। চাহিদার ৯৮ শতাংশ ওষুধ তৈরি করছে দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্বমানের ওষুধ এত কম দামে আর কোথাও পাওয়া যায় না।

বিশ্লেষকদের আশা, এভাবে উন্নয়নের ধারা বজায় রাখলে বিশ্বব্যাপী আরো অনেক সাফল্য বাংলাদেশ অর্জন করতে পারবে। এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই বলছেন, তিনি অসুস্থ হলে তাঁর চিকিৎসা বাংলাদেশেই যেন হয়। এ থেকেই বোঝা যায়, দেশের চিকিৎসা ক্ষেত্র কতটা এগিয়েছে। এই উন্নয়নের ধারা এভাবেই এগিয়ে যাবে আগামী দিনগুলোতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *